





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় সাওম পালন করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, যে ব্যক্তি রমযান মাসে আল্লাহর উপর ঈমানের সাথে, সাওম ফরয হওয়া স্বীকার করে, সাওম পালনকারীর জন্য আল্লাহ যেসব সাওয়াব ও প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন, সেগুলো লাভের আশায় এবং এর দ্বারা একমাত্র মহান আল্লাহর চেহারা (দর্শন) কামনা করে, যাতে কোন লৌকিকতা ও সুনাম-সুখ্যাতি অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে না, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল ক্বদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এ হাদীসে) লাইলাতুল কদরে রাত জেগে সালাত আদায়ের ফযিলত সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন, যা রমযানের শেষ দশকে হয়ে থাকে। তাছাড়া যে ব্যক্তি এ রাতের যেসব ফযিলত রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে বিশ্বাসের সাথে সালাত, দু‘আ, কুরআন তিলাওয়াত ও যিকিরের মাধ্যমে কঠোর প্রচেষ্টায় রত থাকবে এবং এসব আমলের দ্বারা মহান আল্লাহর কাছে প্রতিদান আশা করবে, যেখানে কোন প্রকার রিয়া (লৌকিকতা) ও সুম‘আ (সুনাম) এর প্রত্যাশা থাকবে না, তাহলে তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে।
নুমান ইবনু বাশীর রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: -এ সময় নু’মান রদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাঁর দুই আঙ্গুল দ্বারা উভয় কানের দিকে ইঙ্গিত করেন-: “নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, আর এ উভয়ের মাঝে রয়েছে বহু অস্পষ্ট বিষয়, অধিকাংশ লোকই সেগুলো জানে না। যে ব্যক্তি এ সব অস্পষ্ট বিষয় থেকে দূরে থাকে, সে তার দীন ও মর্যাদাকে নিরাপদে রাখে। আর যে লোক অস্পষ্ট বিষয়ে পতিত হবে, সে হারামের মধ্যে লিপ্ত হয়ে পড়বে। যেমন কোন রাখাল সংরক্ষিত (সরকারী) চারণভূমির আশ-পাশে পশু চরায়, আশংকা রয়েছে যে, পশু তার অভ্যন্তরে যেয়ে ঘাস খাবে। সাবধান! প্রত্যেক বাদশাহরই সংরক্ষিত এলাকা থাকে। সাবধান! আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হল তার হারামকৃত বিষয়সমূহ। জেনে রাখো, দেহের মধ্যে এক টুকরা মাংস আছে। যখন তা সুস্থ থাকে, তখন সমস্ত শরীরই সুস্থ থাকে। আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায় তখন সমস্ত শরীরই নষ্ট হয়ে যায়। মনে রেখো, তা হল ’ক্বলব’ (হৃদয়)।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বস্তু হালাল-হারাম হওয়ার ব্যাপারে সাধারণ মূলনীতি বর্ণনা করেছেন। ইসলামী শরী‘আতে সকল বস্তু তিন প্রকারের হয়ে থাকে। ১। সুস্পষ্ট হালাল ২। সুস্পষ্ট হারাম ৩। হালাল-হারাম হওয়ার ব্যাপারে অস্পষ্ট , অধিকাংশ মানুষ যার হুকুম জানে না। সুতরাং যে ব্যক্তি এসব সন্দেহজনক বিষয়সমূহ পরিহার করে, সে ব্যক্তি হারামে পতিত হওয়া থেকে দূরে থেকে তার দীনের ব্যাপারে নিরাপদ থাকে। তাছাড়া সেসব সংশয় পূর্ণ জিনিসে পতিত হওয়ার কারণে মানুষের সমালোচনা থেকে মুক্ত থেকে তার মান-সম্মানও নিরাপদ থাকে। আর যে ব্যক্তি এসব সংশয়পূর্ণ বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকে না, সে হয় হারামে লিপ্ত হয়ে পড়ে অথবা মানুষ (তার সমালোচনা করে) তার সম্মানহানী করে। যে ব্যক্তি সংশয়পূর্ণ বিষয়সমূহে লিপ্ত হয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ব্যাপারে একটি উপমা পেশ করেছেন যে, সে ব্যক্তি এমন একজন রাখালের ন্যায় যে সংরক্ষিত (সরকারী) চারণভূমির আশ-পাশে পশু চরায়। এটি সংরক্ষিত চারণভূমির অতি নিকটে হওয়ায় আশংকা রয়েছে যে, তার পশুগুলো এর অভ্যন্তরে গিয়ে ঘাস খেয়ে ফেলবে। এমনিভাবে যে ব্যক্তি সংশয়পূর্ণ বস্তুতে লিপ্ত হয়, সেও উক্ত সন্দেহজনক কাজটির মাধ্যমে হারামের অতি নিকটবর্তী হয়ে পড়ে, হতে পারে যে, সে অচিরেই হারামে নিপতিত হয়ে পড়বে। এরপরে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, মানুষের দেহের মধ্যে এক টুকরা মাংস আছে, যার নাম ক্বলব (অন্তর)। শরীরের সুস্থতা এর সুস্থতার মাধ্যমেই হয়ে থাকে এবং এর অসুস্থতার মাধ্যমেই শরীর অসুস্থ হয়ে থাকে।
শাদ্দাদ ইবনু আওস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমি দুটি কথা স্মরণ রেখেছি, তিনি বলেছেন: “আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন। সুতরাং তোমরা যখন হত্যা করবে, তখন উত্তম পন্থায় হত্যা করবে। আর যখন জবাই করবে তখন উত্তম পন্থায় জবাই করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি ধার করে নেয় এবং তার যবেহকৃত জন্তুকে যেন আরাম দেয়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বস্তুর প্রতি ইহসান করা আমাদের উপর ফরয করে দিয়েছেন। আর ইহসান হলো: ইবাদাতের সময় তার উপর আল্লাহর নিবিড় পর্যবেক্ষণ উপলব্দি করা এবং সৃষ্টিজীবের প্রতি কল্যাণ সাধন ও কষ্ট প্রতিহত করা। হত্যা ও জবাইয়ের সময় ইহসান করা এরই অন্তর্ভুক্ত। কিসাসের হত্যার সময় ইহসান: হত্যার জন্য সবচেয়ে সহজ, অতিশয় হালকা ও দ্রুত উপায়ে জান বের হওয়ার পদ্ধতি গ্রহণ করা। জবাই করার সময়ে ইহসান: ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পশুর প্রতি সদয় হওয়া, যে পশুকে জবাই করা হবে তার সামনে এমনভাবে অস্ত্র ধার না করা, যা উক্ত পশু দেখতে পায় এবং অন্য পশুর সম্মুখেও কোন পশু জবাই করা অনুচিত যা উক্ত পশু দেখতে পায়।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কেউ অপরের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এবং কেউ অপরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।১ কেউ কাউকে ক্ষতি করলে, আল্লাহ তার ক্ষতি করেন। আর কেউ কাউকে কষ্টে ফেললে, আল্লাহ তাকেও কষ্টে পতিত করেন।
এটি দারাকুতনী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, নিজের ও অন্যের থেকে সকল প্রকারের ক্ষতি দূর করা অত্যাবশ্যক। সুতরাং কাউকে ক্ষতি করা বা অন্যের দ্বারা নিজের কোন ক্ষতি করা সমভাবে জায়েয নেই। ক্ষতির পরিবর্তে ক্ষতি করা জায়েয নেই; যেহেতু ক্ষতি দ্বারা ক্ষতি প্রতিহত করা যায় না। কোন সীমালঙ্ঘন না করে শুধু কিসাসের মাধ্যমে ক্ষতি প্রতিহত করা যায়। অতপর যে ব্যক্তি মানুষকে ক্ষতির কারণে তাকে ক্ষতি করে এবং কারো থেকে কষ্ট পেলে তার পরিবর্তে তাকেও কষ্ট দেয়; নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে এর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “আমি যখন তোমাদেরকে কোনো ব্যাপারে নিষেধ করি, তখন তা থেকে বিরত থাক। আর যদি কোনো বিষয়ে আদেশ করি সাধ্যানুসারে তা বাস্তবায়ন কর। কেননা, তোমাদের আগে যারা ছিল, তারা তাদের নবীদেরকে বেশি বেশি প্রশ্ন করা ও নবীদের সঙ্গে মতভেদ করার জন্যই ধ্বংস হয়েছে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পথ দেখিয়েছেন যে, যদি তিনি আমাদেরকে কোনো বিষয়ে নিষেধ করেন তাহলে আমাদের জন্য তা থেকে বিরত থাকা জরুরী কোনো ইসতেসনা ব্যতীতই। আর যদি কোনো বিষয়ে নির্দেশ দেন তাহলে আমাদের জন্য সাধ্যানুপাতে তা সম্পাদন করা আবশ্যক। অতঃপর তিনি আমাদেরকে সতর্ক করেছেন; যেন আমরা পূর্ববর্তী কতক জাতির মতো না হই, যারা তাদের নবীগণকে অধিক প্রশ্ন ও তাদের বিরোধিতা করেছে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বিভিন্ন ধরণের ধ্বংস ও আযাব দিয়ে শাস্তি দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের উচিৎ তাদের মতো না হওয়া, যেন তারা যেভাবে ধ্বংস হয়েছে আমরাও সেভাবে ধ্বংস না হই।
ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমাকে জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম সর্বদা প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসীয়ত করতে থাকেন। এমনকি, আমার ধারণা হয়, শীঘ্রই তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস করে দিবেন।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম কর্তৃক বারবার প্রতিবেশীর অধিকারের ব্যাপারে অসীয়ত সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন। প্রবিবেশী হলো কারো গৃহের নিকটতম বসবাসকারীগণ। চাই সে মুসলিম হোক বা অমুসলিম, আত্মীয় হোক বা অনাত্মীয়। তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা এবং তাদেরকে কষ্ট না দেওয়া, তাদের প্রতি ইহসান করা এবং তাদের দ্বারা কষ্ট পেলে তাতে ধৈর্যধারণ করা, এমনকি প্রতিবেশীর হকের যথাযথ সম্মান বজায় রাখার প্রতি জিবরীল ‘আলাইহিস সালাম কর্তৃক বারবার ওসিয়াত করায় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ধারণা করেছিলেন, শীঘ্রই প্রতিবেশীকে সম্পত্তির অধিকারী করে অহী নাযিল হবে, যা ব্যক্তির মৃত্যুর পরে তাদেরকে উত্তরাধিকারী করে দিবে।
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যাদু, তাবীজ ও অবৈধ প্রেম ঘটানোর মন্ত্র শির্ক-এর অন্তর্ভুক্ত।”(১)
এটি আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে কতিপয় কাজকে শিরকের অন্তর্ভুক্ত বলেছেন। তন্মধ্যে কয়েকটি হলো: প্রথমত: অবৈধ ঝাড়ফুঁক: যেসব শিরকী বাক্য দ্বারা জাহেলী যুগের মানুষেরা আরোগ্য তালাশ করত। দ্বিতীয়ত: তাবিজ-কবচ,পুঁতি-দানা ইত্যাদি ব্যাবহার: যা বাচ্চা, পশু ও অন্যের গলায় বদ নজর এড়ানোর জন্য ঝুলানো হয়। তৃতীয়ত: প্রেম ঘটানোর মন্ত্র: যা স্বামী স্ত্রীর উভয়ের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হয়। এসব কাজ শিরকের অন্তর্ভুক্ত। কেননা এগুলোকে উপায় বানানো হয়; অথচ শরী‘য়তে এগুলোকে উপায় গন্য করার ব্যাপারে শরী‘য়তের দলীল সাব্যস্ত হয়নি। আবার এগুলো ইন্দ্রিয় কোন কারণও নয়; যা অভিজ্ঞতার দ্বারা প্রমাণিত। অন্যদিকে শরী‘য়তে যেগুলোকে কারণ সাব্যস্ত করা হয়েছে যেমন, কুরআন তিলাওয়াত বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কারণ যেমন ঔষধ যা অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রমাণিত। এগুলো জায়েয; তবে বিশ্বাস থাকতে হবে যে, এগুলো নিছক অসিলা মাত্র; প্রকৃত উপকার বা ক্ষতি একমাত্র আল্লাহর হাতে।
‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা মৃতদেরকে গালি দিও না। কেননা তারা নিশ্চিতভাবে তাদের কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছে।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।মৃতদেরকে গালি দেওয়া ও তাদের সম্মানহানী করা হারাম হওয়ার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আর এ ধরনের কাজ খারাপ চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত। কেননা তারা তাদের ইতিপূর্বে প্রেরিত ভালো বা মন্দ কর্মের ফলাফলে পৌঁছে গেছে। তাছাড়া এসব গালমন্দ তাদের কাছে পৌঁছে না; বরং এতে জীবিত মানুষকে কষ্ট দেওয়া হয়।