





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
জুনদুব ইবনু আব্দুল্লাহ আল-কাসরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করলো সে আল্লাহর যিম্মাদারিতে থাকলো। অতএব আল্লাহ যেন আপন যিম্মাদারীর কোন বিষয় সম্পর্কে তোমাদের বিপক্ষে বাদী না হন। কারণ তিনি যার বিপক্ষে আপন দায়িত্বের কোন ব্যাপারে বাদী হবেন, তাকে (নিশ্চিত) ধরতে পারবেনই। অতঃপর তিনি তাকে উপুড় করে জাহান্নামের আগুনে ফেলবেন।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করলো সে আল্লাহর হেফাযত, যিম্মাদারি ও সংরক্ষণে থাকলো। তিনি তার থেকে বিপদাপদ দূর করবেন এবং তাকে সাহায্য করবেন। অতপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবধান করেছেন যে, ফজরের সালাত ত্যাগ করে অথবা মুসল্লির প্রতি সীমালঙ্ঘন করে বা তাকে লাঞ্ছিত করে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করে, যে ব্যক্তি এমন করবে সে ব্যক্তি নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙ্গে ফেলল যার ফলে সে কঠোর শাস্তির উপযুক্ত হবে। আর তিনি তার বিপক্ষে এমন অধিকারসমূহের ব্যাপারে বাদী হবেন যা সে লংঘন করেছে। আর আল্লাহ যার বিপক্ষে বাদী হবেন তাকে তিনি নিশ্চিতভাবেই পাকড়াও করবেন। অতঃপর তিনি তাকে উপুড় করে জাহান্নামের আগুনে ফেলবেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সাদাকা করলে সম্পদ কমে যায় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে তিনি তার মর্যাদা উঁচুতে তুলে দেন।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, সাদাকায় কখনো ব্যক্তির সম্পদ কমে না; বরং এর দ্বারা বালা-মুসিবত দূর হয়। আল্লাহ এর মাধ্যমে ব্যক্তিকে অপরিসীম কল্যাণ দান করেন। ফলে তার সবকিছুতে বৃদ্ধিই হয়, কমতি হয় না। প্রতিশোধ নেয়ার সামর্থ থাকা সত্ত্বেও অথবা ব্যক্তিকে পাকড়াও করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কাউকে ক্ষমা করে আল্লাহ তার শক্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কাউকে ভয় না পেয়ে অথবা কারো তোষামোদ না করে অথবা কারো থেকে উপকার লাভের প্রত্যাশা না করে কেউ যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হয়, তিনি তার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, তাদের মাঝে যার চরিত্র সুন্দরতম। তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, যে তার চরিত্রকে সুন্দর করেছে। আর সুন্দর চরিত্র হলো হাস্যোজ্জ্বল চেহারা, সৎকাজে ব্যয়, উত্তম কথা বলা ও অন্যকে কষ্টদায়ক জিনিস থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি। আর তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো তারা, যারা তাদের নারীদের কাছে উত্তম। যেমন তার স্ত্রী, কন্যা, বোন ও তার নিকটাত্মীয় নারীরা। কেননা তারা উত্তম আচরণ পাওয়ার অধিক হকদার।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “দুনিয়া ভোগ্যপণ্য এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ হল পুণ্যবতী নারী।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন, দুনিয়া ও এর মধ্যকার যা কিছু আছে সবই কিছু সময়ের জন্য উপভোগের উপকরণ, তারপর তা ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম উপভোগ্য উপকরণ হলো পুণ্যবতী নারী, যার দিকে তাকালে তাকে সে খুশি করে, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং অনুপস্থিত থাকলে সে তার জান মালের সংরক্ষণ করে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মহান আল্লাহ বলেন, খরচ কর, হে, আদম সন্তান ! আমিও খরচ করবো তোমার প্রতি।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমএ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন, আল্লাহ তাবারাকা ওয়াতা‘আলা বলেন, হে আদম সন্তান ! তুমি খরচ করো (ওয়াজিব ও মুস্তাহাব খরচের মধ্য থেকে) আমিও তোমার রিযিকে প্রশস্ততা দান করব, তোমাকে এর বিনিময় দান করব এবং এতে তোমাকে বরকত দান করবো।
‘উকবা ইবনু ‘আমির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “শর্তাবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবী রাখে তা হল সেই শর্ত যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন, শর্তাবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবী রাখে তা হল সেই শর্ত যার কারণে কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হালাল করে। এগুলো হলো সেসব বৈধ শর্তাবলী যেগুলো বিবাহ বন্ধনের সময় স্ত্রী তার স্বামীর কাছে চেয়ে থাকে।
আবূ যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন: ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেন: («لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ») অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবূদ নেই। তিনি একক ও তাঁর কোন শরীক নেই। তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রিবর্তন হওয়ার কোন শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবূদ নেই। তাকে ছাড়া আর কারো ইবাদাত করি না; তাঁরই যত নেয়ামত, তাঁরই অনুগ্রহ ও তাঁরই উত্তম যত প্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া আর সত্য কোন মাবূদ নেই, তাঁরই জন্য খালেস দীন যদিও কাফিরদের তা পছন্দ নয়। আর তিনি (ইবনুয যুবায়র) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ফরয সালাতের সালামের পর এ সব মহান যিকিরসমূহের দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা করতেন। এ যিকিরের অর্থ হলো: (لا إله إلا الله) অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবূদ নেই। (وحده لا شريك له) “তিনি একক, তাঁর কোনই শরীক নেই” অর্থাৎ তাঁর উলুহিয়্যাত-ইবাদত সমূহ, রুরুবিয়্যাত - কর্মসমূহ এবং আসমা ওয়াস-সিফাত-নাম ও সিফতসমূহের মধ্যে কেউ অংশীদার নেই। (له الملك) “তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক” অর্থাৎ সকল প্রকারের পরিপূর্ণ ব্যাপক মালিকানা একমাত্র তাঁরই, তাঁরই রয়েছে আসমান, জমিন ও এ দুভয়ের মধ্যকার সব কিছুর একচ্ছত্র মালিকানা। (وله الحمد) “সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য।” অর্থাৎ তিনি সর্বময় ব্যাপক পরিপূর্ণতার গুণে গুণান্বিত। তিনি স্বচ্ছল ও অসচ্ছল সর্বাবস্থায় ভালোবাসা ও সম্মান সহ পূর্ণমাত্রায় প্রশংসিত। (وهو على كل شيء قدير) “তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।” তাঁর ক্ষমতা সকল দিক থেকে পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ; কোন কিছুই তাঁকে অক্ষম করতে পারে না, কোন কিছুই তাঁকে কিছু থেকে বাধা দিতে পারে না। (لا حول ولا قوة إلا بالله) “আল্লাহ ছাড়া কোন পরিবর্তনের সামর্থ ও কোন শক্তি নেই।” অর্থাৎ এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তনকারী, গুনাহ থেকে আনুগত্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার তিনি ব্যতীত আর কেউ নেই। তিনিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং তাঁর উপরই তাওয়াক্কুল ও ভরসা। (لا إله إلا الله، ولا نعبد إلا إياه) “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবূদ নেই। তাঁকে ছাড়া আর কারোই ইবাদাত করি না।এতে রয়েছে” একমাত্র তাঁরই ইবাদতের মর্মে সুদৃঢ়তা ও যাবতিয় শিরকের প্রত্যাখ্যান। কেননা নিশ্চয়ই তিনি ব্যতীত আর কেউ ইবাদতের উপযুক্ত নেই। (له النعمة وله الفضل) “সকল নি‘আমত ও অনুগ্রহ তাঁরই” তিনিই নি‘আমতরাজি সৃষ্টি করেছেন এবং সেগুলোর মালিক একমাত্র তিনিই। তিনেই তাঁর বান্দাহদের যাকে ইচ্ছে তাকে সেসব নি‘আমত দ্বারা অনুগ্রহ এবং মর্যাদা প্রদান করেন। (وله الثناء الحسن) “যাবতীয় উত্তম প্রশংসা তাঁরই” তাঁর সত্বায়, সিফাত, কর্ম ও নি‘আমতসমূহে এবং সর্বাবস্থায়। (لا إله إلا الله، مخلصين له الدين) “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবূদ নেই। আমরা একনিষ্ঠভাবে তাঁরই ইবাদত করি”। অর্থাৎ আল্লাহর আনুগত্যে আমরা তাওহীদবাদী (একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি), কোন লৌকিতা ও সুনামের উদ্দেশ্যে তাঁর ইবাদত ও আনুগত্য করি না। (ولو كره الكافرون) “যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।” আল্লাহর তাওহীদ ও তাঁর ইবাদতের উপর সুদৃঢ় থাকি; যদিও তা কাফিরগণ অপছন্দ করে।
ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “এমন কোন দিন নাই যাতে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট এ দিনগুলো অর্থাৎ যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের নেক আমল অপেক্ষা অধিক প্রিয় হবে। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর পথে জিহাদও কি তদপেক্ষা প্রিয় হবে না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: না; আল্লাহর পথে জিহাদও তদপেক্ষা অধিক প্রিয় নয়। তবে কোন ব্যক্তি যদি জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হয়ে যায় এবং দুটির কিছু নিয়ে আর ফিরে না আসতে পারে তবে তার কথা স্বতন্ত্র।”
সহীহ বুখারী ও সুনানে আবূ দাউদ; শব্দগুলো আবূ দাউদ থেকে নেয়া।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন, যিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের নেক আমল বছরের অন্যান্য দিনের নেক আমলের চেয়ে উত্তম। সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, এ দশদিন ব্যতীত অন্য দিনে আল্লাহর পথে জিহাদ উত্তম নাকি এ দশদিনের নেক আমল উত্তম? কেননা তাদের কাছে সর্বজন স্বীকৃত ছিলো, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ হলো সর্বোত্তম কাজ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে উত্তর দিলেন: এ দশদিনের নেক আমল অন্যান্য দিনে আল্লাহর পথে জিহাদ অপেক্ষা অধিক উত্তম। তবে হ্যাঁ, কোন ব্যক্তি যদি নিজের জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হয় এবং তার সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় হয়ে যায় এবং তার জীবন আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দেয়, তবে তার কথা স্বতন্ত্র। শুধু এ আমলটিই যিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের নেক আমলের চেয়ে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত ও উত্তম বলে গণ্য হবে।
বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: শীঘ্র ‘আসরের সালাত আদায় করে নাও। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ‘আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার ‘আমল বিনষ্ট হয়ে যায়।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।এ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইচ্ছাকৃতভাবে আসরের সালাত সময় মতো আদায় না করে বিলম্বে আদায় করা থেকে সতর্ক করেছেন। আর যে ব্যক্তি আসরের সালাত বিলম্বে পড়ে বা ছেড়ে দেয় তার আমল বিনষ্ট হয় এবং সে খালি হয়ে যায়।