





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
মাহমূদ বিন লাবীদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি তোমাদের ওপর যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হচ্ছে ছোট শির্ক।” সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শির্ক কী? তিনি বলেন: রিয়া (লোক দেখানো)। যে দিন মহান আল্লাহ বান্দাদেরকে তাদের আমল অনুযায়ী বিনিময় দিবেন। সেদিন তিনি বলবেন: দুনিয়ায় যাদেরকে দেখানোর উদ্দেশ্যে তোমরা আমল করতে তাদের কাছে যাও। দেখো, তাদের কাছে কোন প্রতিদান পাও কি না?’’
এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসে তাঁর উম্মতের ওপর সবচেয়ে ভীতিকর বিষয় সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন: তা হচ্ছে ছোট শির্ক। আর ছোট শির্ক হলো রিয়া তথা লৌকিকতা। অর্থাৎ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কোন আমল করা। অতপর তিনি কিয়ামতের দিন লোক দেখানো উদ্দেশ্যে ইবাদতকারীর শাস্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেন। সেদিন তাদেরকে বলা হবে: দুনিয়ায় যাদেরকে দেখানোর উদ্দেশ্যে তোমরা আমল করতে তাদের কাছে যাও। দেখো, তাদের কাছে তোমাদের আমলের কোন সাওয়াব ও পুরস্কার পাও কি না?’
আদী ইবন হাতিম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ আয়াত “তারা আল্লাহকে ছেড়ে তাদের পণ্ডিত ও সংসার বিরাগীদের রব হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং মারইয়ামপুত্র মাসীহকেও। অথচ তারা এক ইলাহের ইবাদত করার জন্যই আদিষ্ট হয়েছে, তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। তারা যে শরীক করে তিনি তা থেকে পবিত্র” [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: 31] পড়তে শুনেছেন। তারপর তিনি তাকে বললেন, আমরা তো তাদের ইবাদত করি না। তিনি বললেন, এমন কি নয় যে, আল্লাহ যা হালাল করেছেন তা তারা হারাম করে, ফলে তোমরাও তা হারাম করো? এবং আল্লাহ যা হারাম করেছেন তারা তা হালাল করে, ফলে তোমরাও তা হালাল করো? আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, এটিই তাদের ইবাদত করা।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।যখন এ বিশিষ্ট সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে এমন একটি আয়াতের তিলাওয়াত শুনলেন যে আয়াতে ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে যে, তারা তাদের পাদ্রীদের এবং আলেমদের ইলাহ সাব্যস্ত করেছে, তারা তাদের জন্য আল্লাহর বিধানের পরিপন্থী বিধান দেন যার অনুকরণ তারা করে থাকেন, তখন তার জন্য আয়াতের ব্যাখ্যাটি কঠিন হয়। কারণ, তিনি ধারণা করতেন যে, ইবাদত শুধু সাজদা করা ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়ে দেন যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধানের বিপরীতে হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে আলেম ও পাদ্রীদের অনুকরণ করাও তাদের ইবাদত করা।
ইবনু ’আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মু‘আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে ইয়ামানের (শাসক নিয়োগ করে) পাঠানোর সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেনঃ “তুমি আহলে কিতাবের কাছে যাচ্ছ। কাজেই তাদের কাছে যখন পৌঁছবে তখন তাদেরকে এ কথার দিকে দাওয়াত দিবে- তারা যেন সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয় তবে তাদের বলবে, আল্লাহ তাদের উপর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয় তবে তাদের বলবে, আল্লাহ তাদের উপর সাদাকা (যাকাত) ফরজ করেছেন- যা তাদের ধনীদের নিকট হতে গ্রহণ করা হবে এবং তাদের ফকীরদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। তোমার এ কথা যদি তারা মেনে নেয়, তবে তাদের উত্তম মাল গ্রহণ হতে বিরত থাকবে এবং মযলুমের বদদু‘আকে ভয় করবে। কেননা, তার (বদদু‘আ) এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মু‘আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে ইয়ামেনে আল্লাহর পথে একজন দাওয়াত দানকারী ও শিক্ষক হিসেবে প্রেরণ করেন তখন তিনি তাকে বর্ণনা দেন যে, তিনি অচিরেই সেখানকার খৃস্টান সম্প্রদায়ের সম্মুখীন হবেন। যাতে তিনি তাদের ব্যাপারে প্রস্তুতি নিতে পারেন। অতপর তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শ্রেণীক্রমে বর্ণনা করেন। তিনি সর্বপ্রথম তাদের কে আক্বীদা সংশোধনের দাওয়াত দিবেন। তারা এ কথার সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। কেননা তারা এ কথার সাক্ষ্য দিয়ে ইসলামে প্রবেশ করবে। তারা যখন এ সাক্ষ্য মেনে নিবে তখন তাদেরকে সালাত কায়েমের আদেশ দিবে। কেননা তাওহীদের পরে সালাত হলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আবশ্যকীয় ইবাদত। তারা যদি সালাত কায়েম করে তবে তাদেরকে তাদের সম্পদের যাকাত তাদের মধ্যকার দরিদ্র মানুষেকে দেওয়ার আদেশ দিবে। অতপর তিনি তাকে তাদের সর্বোত্তম সম্পদ যাকাত হিসেবে গ্রহণ করতে সতর্ক করেন। কেননা ওয়াজিব হলো মধ্যম মানের সম্পদ যাকাত দিবে। অতপর তিনি তাকে যুলুম থেকে বিরত থাকতে অসিয়াত করেন। যাতে মাযলুম ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বদদু‘আ না করে। কেননা, তার (বদদু‘আ) আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য।
জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (জাহিলিয়্যাতের যুগে যাদু নষ্ট করার একটি পদ্ধতি) নুশরাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো? তিনি বললেন, তা শয়তানের কাজ”।
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যাদুগ্রস্থ ব্যক্তির চিকিৎসা জাহিলিয়্যাতের যুগে যেভাবে করা হতো যেমন যাদুকে যাদু দ্বারা চিকিৎসা করা ইত্যাদির বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উত্তরে বলেন, এটি শয়তানের কর্ম বা তার মাধ্যমে সংগঠিত হয়। কারণ, তা সাধারণত বিভিন্ন প্রকার যাদু এবং শয়তানী কর্ম দ্বারা হয়ে থাকে। এ গুলো সবই হলো শির্ক এবং হারাম। আর বৈধ নুসরাহ হলো ঝার-ফুঁক দ্বারা অথবা যাদু অনুসন্ধান করে তা কুরআন পড়তে পড়তে হাত দ্বারা নষ্ট করা অথবা বৈধ ঔষুধ দ্বারা যাদুর চিকিৎসা করা।
‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “তোমরা আমার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করো না, যেমনটি খৃস্টানরা ঈসা ইবনু মারইয়াম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে। আমি তো কেবল তাঁর (আল্লাহর) বান্দা। তাই তোমরা বল, আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রশংসা এবং আল্লাহর গুণাবলী ও তাঁর সাথে নির্ধারিত কর্মসমূহের দ্বারা তার গুণাবলী বর্ণনা অথবা তিনি গায়েব জানেন অথবা তাকে আল্লাহর সাথে তাকে ডাকা যাবে ইত্যাদি ব্যাপারে বাড়াবাড়ি ও শরী‘আতের সীমা লঙ্ঘন করতে নিষেধ করেছেন, যেমনিভাবে খৃস্টানরা ঈসা ইবনু মারইয়াম ‘আলাইহিস সালামের ব্যাপারে করে থাকে। অতপর তিনি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর একজন বান্দা। তিনি তাকে সম্বোধন করতে আদেশ করেছেন: ‘আল্লাহর বান্দা ও রাসূল’ বলে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষ থেকে বেশি সৌভাগ্যশালী হবে আপনার শাফাআত দ্বারা কোন লোকটি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ হুরায়রা! আমি ধারণা করেছিলাম যে তোমার আগে কেউ এ সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞাসা করবে না। কারণ হাদীসের ব্যাপারে তোমার চেয়ে অধিক আগ্রহী আর কাউকে আমি দেখিনি। কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত দ্বারা সর্বাধিক সৌভাগ্যশালী ঐ ব্যক্তি হবে যে খালেস অন্তর বা মনথেকে বলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ)।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, কিয়ামতের দিন তাঁর শাফাআত দ্বারা সর্বাধিক সৌভাগ্যশালী ঐ ব্যক্তি হবে যে খালেস অন্তর থেকে বলে لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত কোন প্রকৃত মাবূদ নেই এবং সে শিরক ও রিয়া থেকে মুক্ত থাকবে।
আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “কুলক্ষণ যাকে তার জরুরী কর্ম থেকে ফিরিয়ে দিল, সে শির্ক করল। সাহাবীগণ বললেন, তার কাফ্ফারা কী? তিনি বললেন, এ কথা বলা: হে আল্লাহ আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই, আপনার অকল্যাণ ছাড়া কোনো অকল্যাণ নেই এবং আপনি ছাড়া কোনো সত্যিকার ইলাহ নেই।”
এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।এ হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আমাদের জানাচ্ছেন যে, যাকে অশুভ লক্ষণ তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে বিরত রাখল, সে এক ধরনের শির্কে লিপ্ত হলো। যখন সাহাবীগণ এ কবীরাহ গুনাহের কাফ্ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি তাদের হাদীসে বর্ণিত বাক্যগুলো বলার নির্দেশনা দিলেন, যাতে রয়েছে, যাবতীয় কর্ম আল্লাহর নিকট সোপর্দ করা এবং তিনি ছাড়া অন্য কিছু থেকে ক্ষমতাকে অস্বীকার করা।
‘উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোন মাবূদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। ঈসা আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল এবং তাঁর সেই কালেমা যা তিনি মারইয়ামের মধ্যে নিক্ষেপ করেছেন ও তাঁর সৃষ্ট রূহ। আর জান্নাত সত্য ও জাহান্নাম সত্য। তবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; তার আমল যাই হোক না কেন।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন, যে ব্যক্তি তাওহীদের কালিমার অর্থ বুঝে সাক্ষ্য দিবে এবং তদানুযায়ী আমল করবে, সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল হওয়ার সাক্ষ্য দিবে, তাছাড়া ঈসা ‘আলাইহিস সালাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল হওয়ার স্বীকার করবে, আল্লাহ তাকে ‘কুন’ (হয়ে যাও) আদেশ দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, তিনি কুন বলার ফলে তিনি হয়ে গেছেন। তিনি আল্লাহর সৃষ্টি রূহসমূহের একটি রূহ। ইয়াহুদিরা তাঁর মাকে যে অপবাদ দিয়ে থাকে, তা থেকে তাকে মুক্ত ঘোষণা করে, তাছাড়া সে ঈমান আনে, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, এদুয়ের অস্তিত্ব বিদ্যমান বিশ্বাস করে এবং এদুটি আল্লাহর নি‘আমত ও আযাব। সে এ বিশ্বাসের উপর মারা যায়, তবে তার স্থান হবে জান্নাত; যদিও তার আমলে ক্রটি থাকে, তার গুনাহ থাকে।
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করে সাক্ষাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে যে, সে তাঁর সাথে শরীক স্থির করেছে, তাহলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করে মারা যাবে, তার গন্তব্য হবে জান্নাত; যদিও তার কিছু গুনাহের কারণে শাস্তি দেয় হবে। আর যে ব্যক্তি শিরক করা অবস্থায় মারা যাবে সে জাহান্নামে স্থায়ী হবে।