





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ সাঈদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বৃদ্ধ ও তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা) কাঁকর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। কেননা, তা দিয়ে শিকার করা যায় না এবং শত্রুকে ঘায়েলও করা যায় না। বরং তাতে চোখ নষ্ট হয় ও দাঁত ভাঙ্গে। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, ইবনে মুগাফ্ফাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর এক আত্মীয় দুই আঙ্গুল দিয়ে কাঁকর ছুঁড়ছিল। তা দেখে তিনি তাকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঐভাবে) কাঁকর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। কেননা, তা দিয়ে শিকার করা যায় না। কিন্তু সে আবার ঐ কাজ করতে লাগল। তখন তিনি বলে উঠলেন, ‘আমি তোমাকে বলছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ করতে নিষেধ করেছেন আবার তুমি ছুঁড়তে লাগলে? যাও! তোমার সাথে আর কথাই বলব না।’
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বৃদ্ধ ও তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা) কাঁকর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। কেননা, তা দিয়ে শিকার করা যায় না এবং শত্রুকে ঘায়েলও করা যায় না। বরং তাতে চোখ নষ্ট হয় ও দাঁত ভাঙ্গে। খাযাফ সম্পর্কে ওলামাগণ বলেন, এর অর্থ হলো, কোন ব্যক্তি একটি পাথর তার ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল এবং বাম হাতের শাহাদাত আঙ্গুলের মাঝে রাখবে অথবা শাহাদাত আঙ্গুল বা বৃদ্ধা আঙ্গুলে মাঝে রাখবে। অর্থাৎ, বৃদ্ধা আঙ্গুলের উপর পাথর রাখবে আর শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করবে। অথবা শাহাদাত আঙ্গুলের উপর রাখবে এবং বৃদ্ধা আঙ্গুল দ্বারা মারবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিষেধ করেছেন। তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কেননা, তা চোখে বা দাঁতে লাগলে চোখ নষ্ট করবে এবং দাঁত ভাঙ্গবে। তা দিয়ে শিকার করা যায় না। কারণ, তার কোন ধার নাই। আর তা দ্বারা দুশমণকে প্রতিহত করা যায় না। কারণ, দুশমণকে কেবল তীর দ্বারা প্রতিহত করা যায়। এ সব ছোট পাথর দিয়ে দুশমণকে দমানো সম্ভব নয়। তারপর সে তার এক আত্মীয়কে দুই আঙ্গুল দিয়ে কাঁকর ছুঁড়তে দেখলেন। তিনি তাকে পাথর ছুড়তে নিষেধ করলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঐভাবে) কাঁকর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। তারপর তিনি তাকে দ্বিতীয়বার ঐ কাজ করতে দেখেন। তখন তিনি বলে উঠলেন, ‘আমি তোমাকে বলছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ করতে নিষেধ করেছেন, আর তুমি আবার পাথর ছুঁড়তে লাগলে? যাও! তোমার সাথে আমি আর কখনোই কথা বলব না।’ তিনি তার সাথে সম্পর্ক চিহ্ন করলেন। কারণ, সে রাসূলের নিষেধের বিরোধিতা করছে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন, ততক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়া বিনাশ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না কোনো ব্যক্তি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে উক্ত কবরের উপর গড়াগড়ি দিবে আর বলবে, ‘হায়! যদি আমি এই কবরবাসীর স্থানে হতাম!’ এরূপ উক্তি সে দীন রক্ষার মানসে বলবে না, বরং তা বলবে পার্থিব বালা-মুসীবতে অতিষ্ঠ হওয়ার কারণে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সংবাদ দেন যে, শেষ যামানার অবস্থা এমন হবে যে, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে উক্ত কবরের মাটিতে গড়াগড়ি দিবে। পার্থিব বালা-মুসীবত, অধিক ফিতনা ও বিভিন্ন পরীক্ষায় অতিষ্ঠ হওয়ার কারণে সে চাইবে এ কবর যেন তার অবস্থান হয়। কারণ, মৃত ব্যক্তি দুনিয়ার কষ্ট-ক্লেশ ও শাস্তি হতে মুক্ত। হাদীসটিতে মৃত্যু কামনাকে সমর্থন করা হয় নি বরং এখানে শেষ যামানায় যা সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে শুধু সংবাদ দেওয়া হয়েছে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন পর্যন্ত ফুরাত নদী একটি সোনার পাহাড় বের না করবে, যা নিয়ে যুদ্ধ বাঁধবে। ফলে যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী প্রত্যেক শ থেকে নিরানব্বই জনই মারা যাবে! তাদের প্রত্যেকে বলবে যে, ‘সম্ভবতঃ আমি বেঁচে যাব।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “অদূর ভবিষ্যতে ফুরাত নদী স্বর্ণের খনি বের করে দিবে। সুতরাং যে সেখানে উপস্থিত হবে, সে তার থেকে কিছুই গ্রহণ করবে না।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানিয়ে দিচ্ছেন যে, কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে ফুরাত নদী স্বর্ণের খনি বা স্বর্ণের পাহাড় বের করে দিবে। অর্থাৎ পাহাড়ের ন্যায় স্বর্ণ বের হবে। আর লোকেরা তার জন্য মারামারি করবে। কারণ, এটা ফিতনা। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের যে কেউ সেখানে উপস্থিত থাকবে তাকে তা থেকে গ্রহণ করতে নিষেধ করছেন। কারণ, তার থেকে কেউ নাজাত পাবে না। হতে পারে, যে তখন উপস্থিত থাকবে সে এ হাদীসটির অপব্যাখ্যা করবে ও হাদীসের প্রকৃত অর্থকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করবে; যাতে নিজে সেখান থেকে কিছু গ্রহণ করার সুযোগ পায়। আমরা আল্লাহর কাছে যাবতীয় ফিতনা থেকে আশ্রয় কামনা করছি।
আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে মারফূ হিসেবে বর্ণিত: “মদীনার অবস্থা উত্তম থাকা সত্বেও তার অধিবাসীরা মদীনা ত্যাগ ক’রে চলে যাবে। (সে সময়) সেখানে কেবল বন্য হিংস্র পশু-পাখিতে ভরে যাবে। সব শেষে যাদের উপর কিয়ামত সংঘটিত হবে, তারা মুযাইনাহ গোত্রীয় দু’জন রাখাল, যারা নিজেদের ছাগলের পাল হাঁকাতে হাঁকাতে মদীনা অভিমুখে নিয়ে যাবে। তারা মদীনাকে হিংস্র জীব-জন্তুতে ঠাসা অবস্থায় পাবে। তারপর যখন তারা (মদীনার উপকণ্ঠে অবস্থিত) ‘সানিয়্যাতুল্ অদা’ নামক স্থানে পৌঁছবে, তখন তারা মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে যাবে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সংবাদ দেন যে, নবীজির মদীনা—আল্লাহ তার সম্মান ও ইজ্জত বৃদ্ধি করুক—তার অধিবাসীরা তা ত্যাগ ক’রে চলে যাবে। (সে সময়) সেখানে কেবল বন্য হিংস্র পশু-পাখি ছাড়া আর কিছু থাকবে না। আর এটি সংঘটিত হবে শেষ যামানায়। মুযাইনাহ গোত্রীয় দু’জন রাখাল, যারা নিজেদের ছাগলের পাল হাঁকাতে হাঁকাতে মদীনা অভিমুখে নিয়ে যাবে। তারা মদীনাকে হিংস্র জীব-জন্তুতে ঠাসা অবস্থায় পাবে। তারা তাদের ছাগলের পাল নিয়ে চিৎকার করবে। তা বিরাণ হওয়ার কারণে তাকে তারা ভীতিকর অবস্থায় পাবে। আর তারা দু‘জনই হলো সর্বশেষ লোক। তারপর তারা যখন (মদীনার উপকণ্ঠে অবস্থিত) ‘সানিয়্যাতুল্ অদা’ নামক স্থানে পৌঁছবে, তখন তারা মুখ থুবড়ে মৃত অবস্থায় পড়ে যাবে।”
আবূ মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত, লোকেদের উপর এমন একটি সময় অবশ্যই আসবে, যখন মানুষ সোনার যাকাত নিয়ে ঘোরাঘুরি করবে; কিন্তু সে এমন কাউকে পাবে না যে, তার নিকট হতে তা গ্রহণ করবে। আর দেখা যাবে যে, পুরুষের সংখ্যা কম ও মহিলার সংখ্যা বেশী হওয়ার দরুন চল্লিশজন মহিলা একজন পুরুষকে আশ্রয় করে থাকবে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।মানুষের সামনে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে। এমনকি তা গ্রহণ করার কোন লোক পাওয়া যাবে না। পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীর সংখ্যা বেড়ে যাবে। হয়তো তা তুমুল যুদ্ধের কারণে হবে অথবা কন্যা সন্তান অধিক হারে জন্ম লাভের কারণে। এমনকি একজন ব্যক্তির জন্য মেয়ে, বোন এবং তাদের মতো নিকটাত্মীয় মিলে চল্লিশজন মহিলা হবে যারা তার কাছে আশ্রয় চাইবে এবং তার কাছে সাহায্য চাইবে।
মিরদাস আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মরফূ হিসেবে বর্ণিত, “নেককার ব্যক্তিরা একে একে চলে যাবেন। আর যব ও খেজুরের অব্যবহার্য অংশের মতো নিকৃষ্ট পড়ে থাকবে। আল্লাহ এদের প্রতি পরোয়া করবেন না।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন যে, শেষ যামানায় আল্লাহ তাআলা নেককার ব্যক্তিগণের রূহসমূহ উঠিয়ে নিবেন। তারপর এমন কতক মানুষ থাকবে যাদের আল্লাহ কোনো মর্যাদা দিবেন না, তাদের জন্য কোনো ওজন স্থাপন করবেন না, তাদের কোন দয়া করবেন না এবং তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করবেন না। আর তারা হলো আল্লাহ তাআলার নিকট নিকৃষ্ট সৃষ্ট এবং তাদের ওপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক মারফু হিসেবে বর্ণিত, “আমি নিজেকে স্বপ্নে দাঁতন করতে দেখলাম। অতঃপর দু’জন লোক এল, একজন অপরজনের চেয়ে বড় ছিল। আমি ছোটজনকে দাঁতনটি দিলাম, তারপর আমাকে বলা হল, ‘বড়জনকে দাও।’ সুতরাং আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটিকে (দাঁতন) দিলাম।”
এটি বুখারী মু‘আল্লাক হাদীসরূপে দৃঢ় বাক্য দ্বারা বর্ণনা করেছেন। - এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি মিসওয়াক দ্বারা দাঁতন করছেন। অতঃপর দু’জন লোক এল, একজন অপরজনের চেয়ে বড়। তিনি ছোটজনকে দাঁতনটি দিতে চাইলেন। তখন তাকে বলা হলো, ‘বড়জনকে দাও।’ সুতরাং তিনি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটিকে (দাঁতন) দিলেন।
ইবনু ’আব্বাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি আতা ইবনু আবু রাবাহকে বলেন: আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতী মহিলা দেখাব না? আমি বললামঃ অবশ্যই। তখন তিনি বললেনঃ এই কালো রঙের মহিলাটি, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসেছিল। তারপর সে বললঃ আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত হই এবং এ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দু’আ করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তুমি যদি চাও, ধৈর্য ধারণ করতে পার। তোমার জন্য আছে জান্নাত। আর তুমি যদি চাও, তাহলে আমি আল্লাহর কাছে দু’আ করি, যেন তোমাকে অরোগ্য করেন”। স্ত্রীলোকটি বললঃ আমি ধৈর্য ধারণ করব। সে বললঃ ঐ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়, কাজেই আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন আমার লজ্জাস্থান খুলে না যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দু’আ করলেন।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা আতা ইবনু আবি রাবাহকে বললেন: আমি কি তোমাকে জান্নাতীদের একজন মহিলা দেখাবো না? আতা' বললেন: হ্যাঁ; তিনি বললেন: এই কৃষ্ণাঙ্গ হাবশী মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বললেন: আমার এমন একটি রোগ আছে যার ফলে আমার খিঁচুনি হয় এবং আমি বিবস্ত্র হয়ে যাই এবং আমার শরীরের কিছু অংশ আমার অজান্তেই বেরিয়ে আসে। তাই আল্লাহর কাছে দোআ করুন যেন তিনি আমাকে সুস্থ করে তোলেন। তিনি বললেন: যদি তুমি চাও সবর কর, তোমার জন্যে জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তা‘আলার নিকটে দু‘আ করব। তিনি বললেন: তাহলে ধৈর্য ধরো, তারপর সে বলল: তাই আল্লাহর কাছে দোআ করুন যেন আমার খিঁচুন উঠলে বিবস্ত্র না হই, তাই তিনি তার জন্য আল্লাহর কাছে দোআ করলেন।
উম্মু দারদা ও আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: “একজন মুসলিম বান্দা তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দুআ করলে তা কবুল হয়। তার মাথার নিকটে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন, যখন সে তার ভাইয়ের জন্য প্রার্থনা করে তখন নিয়োজিত ফেরেশতা বলে থাকে "আমীন এবং তোমার জন্যও অবিকল তাই"।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, একজন মুসলিমের দোআ তার মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে কবুল করা হয়। কারণ এটি আন্তরিকতার দিক থেকে আরও স্পষ্ট এবং প্রার্থনাকারীর মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত থাকেন এবং যখনই সে তার ভাইয়ের জন্য প্রার্থনা করে, তখন তার কাছে নিযুক্ত ফেরেশতা বলেন: আমিন এবং তুমি যেমন প্রার্থনা করেছ তেমনি তোমার জন্যও হোক।