





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: রাতভর আসমান থেকে বৃষ্টি হওয়ার পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়াতে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেন: “তোমরা কি জান যে, তোমাদের রব কী বলেছেন?” তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: “আজকে আমার বান্দারা কেউ মুমিন আবার কেউ কাফির হয়ে সকাল করেছে। যে বলেছে: আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে আমরা বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি, সে আমার উপরে বিশ্বাস স্থাপনকারী (মুমিন) এবং নক্ষত্রের (প্রভাবের) ব্যাপারে অস্বীকারকারী। আর যে বলেছে: অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যক্তি আমাকে অস্বীকারকারী (কাফির) এবং নক্ষত্রের উপরে ঈমান আনায়নকারী।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদাইবিয়া -মক্কার নিকটবর্তী একটি গ্রাম-এ ফজর সালাত আদায় করলেন। আর তা ছিল আগের রাতে বৃষ্টি হওয়ার পর। যখন তিনি সালাম ফিরালেন এবং সালাত শেষ করলেন, তখন তিনি তার চেহারা মানুষের দিকে ফিরালেন। এরপরে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন: তোমাদের মহান প্রতাপশালী রব কী বলেছেন, তা কি তোমরা জান? তখন তারা জবাব দিলেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করে দিয়েছেন যে, বৃষ্টি হলে মানুষ দু’ভাগে ভাগ হয়ে পড়ে: একটি দল আল্লাহর উপরে বিশ্বাসী আর অপর দল আল্লাহ তা‘আলার ব্যাপারে অবিশ্বাসী। সুতরাং যে ব্যক্তি বলবে: আমরা আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি, আর বৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি আল্লাহ তা‘আলার দিকেই সম্পৃক্ত করবে; সে ব্যক্তি মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর ব্যাপারে বিশ্বাস স্থাপনকারী (মুমিন) এবং নক্ষত্রের (প্রভাবের) ব্যাপারে অস্বীকারকারী। পক্ষান্তরে যে বলবে: আমরা অমুক অমুক তারকা বা গ্রহের কারণে বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি; সে ব্যক্তি আল্লাহকে অস্বীকারকারী এবং নক্ষত্রের উপরে বিশ্বাস স্থাপনকারী। কেননা আল্লাহ নক্ষত্রকে শরী‘আতের দিক থেকে অথবা তাকদীরের দিক থেকে কোন রকম কারণ হিসেবে নির্ধারণ করেননি। অন্যদিকে যে ব্যক্তি বৃষ্টি ও অন্যান্য প্রকৃতির ঘটনাগুলোকে গ্রহ-নক্ষত্রের উদয় ও অস্ত:জনিত গতিবিধির সাথে সম্পৃক্ত করে, এ বিশ্বাসে যে, সেগুলোই প্রকৃত কর্তা, তাহলে সে বড় ধরণের কাফির।
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য হতে একদল মানুষ এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: আমরা আমাদের অন্তরে এমন অনেক কিছুর উদ্রেক লক্ষ করি, যা মুখে আনা আমাদের যে কারো জন্যই প্রায় অসম্ভব। তিনি বললেন: “তোমরা এমনটি বোধ কর?” তারা বললেন: হ্যাঁ, তিনি বললেন: “তা হচ্ছে সুস্পষ্ট ঈমান।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী এসে তাকে তাদের অন্তরে জাগ্রত হওয়া ব্যাপারগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, যেগুলো অত্যন্ত জঘন্য বা খারাপ হওয়া এবং তার প্রতি ঘৃণা থাকার কারণে তা মুখে আনাও তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমাদের এ অনুভূতি হচ্ছে সুস্পষ্ট ঈমান এবং এটা এমন দৃঢ়-বিশ্বাস যে, শয়তান তোমাদের অন্তরে যা নিক্ষেপ করে এবং তা তোমাদের মুখে উচ্চারণ করা ও তোমাদের অন্তরে খারাপ লাগার মাধ্যমে সেগুলোকে প্রতিহত করে। শয়তান তোমাদের অন্তরকে তাদের মত করে পরাভূত করতে পারেনি, এটি যাদের অন্তর শয়তান পরাভূত করেছে আর তাদের এগুলোকে প্রতিহত করার অনুভূতিও জাগ্রত হয় না তার বিপরিত।
ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: একজন ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো কারো অন্তরে এমন কিছুর উদ্রেক হয় -তিনি পরোক্ষভাবে জিজ্ঞাসা করলেন- যেগুলো মুখে উচ্চারণ করার থেকে তার কাছে (জ্বলন্ত) কয়লায় রূপান্তরিত হওয়া বেশি পছন্দনীয় মনে হয়। তখন তিনি বললেন: “আল্লাহই সবচেয়ে বড়, আল্লাহই সবচেয়ে বড়। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি শয়তানের ষড়যন্ত্রকে ওয়াসওয়াসার মাধ্যমে দুর্বল করে দিয়েছেন।”
সুনানে আবূ দাউদ ও নাসায়ীর সুনানুল কুবরাজনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে আরয করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্য হতে কারো কারো অন্তরে এমন বিষয় জাগ্রত হয়, যেগুলো সম্পর্কে কথা বলা এমন বড় ধরণের পাপ, যা উচ্চারণ করা থেকে তার কাছে ছাই হয়ে যাওয়া অধিকতর প্রিয়। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইবার তাকবীর পাঠ করলেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করলেন এ কারণে যে, তিনি শয়তানের ষড়যন্ত্রকে শুধুমাত্র ওয়াসওয়াসার মাধ্যমে পরিবর্তন করে দিয়েছেন।
আবূ হু্রাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “শয়তান তোমাদের মধ্য হতে একজনের কাছে আগমন করে জিজ্ঞাসা করতে থাকে: এটি কে সৃষ্টি করেছে? এটি কে সৃষ্টি করেছে? এক পর্যায়ে সে বলে: তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? অতএব যখন কেউ এ পর্যায়ে এসে পৌঁছাবে, সে যেন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং বিষয়টি থেকে বিরত থাকে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমশয়তানের ওয়াসওয়াসা জনিত কারণে মুমিনের কাছে যেসব প্রশ্নের উদ্রেক হয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলোর একটি কার্যকর চিকিৎসা সম্পর্কে সংবাদ প্রদান করছেন। শয়তান বলে: এটা কে সৃষ্টি করেছে? এটা কে সৃষ্টি করেছে? আসমান কে সৃষ্টি করেছে? কে জমিন সৃষ্টি করেছে? মুমিন তখন দীন, ফিতরাত ও বিবেকসূলভ উত্তর দিতে থাকে: আল্লাহ। কিন্তু শয়তান এ পর্যায়ে ওয়াসওয়াসার সীমা বন্ধ করে না; বরং সামনে এগিয়ে এক পর্যায়ে জিজ্ঞাসা করে: তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? উক্ত পর্যায়ে মুমিন ব্যক্তি এ জাতীয় ওয়াসওয়াসা তিনটি উপায়ে প্রতিহত করতে পারে: আল্লাহর প্রতি ঈমান। শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা। ওয়াসওয়াসাকে সামনে বাড়তে না দিয়ে প্রতিহত করা ও বিরত থাকা।
আনাস ইবনু মালিক রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয় আল্লাহ কোন মুমিনের ভালোকাজের ব্যাপারে জুলুম করেন না; দুনিয়াতেও তিনি তার পুরস্কার দিয়ে থাকেন আবার আখিরাতেও তার প্রতিদান দিবেন। পক্ষান্তরে কাফির ব্যক্তিকে তার ভালোকাজ, যেগুলো সে আল্লাহর জন্য করেনি, সেগুলোর কারণে খেতে দেন এভাবে সে আখিরাতে উপনীত হবে আর তখন তার এমন কোন ভালোকাজ অবশিষ্ট থাকবে না, যার বিনিময়ে তাকে পুরস্কার দেয়া হবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনএ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনের উপরে আল্লাহর মহা করুণা ও কাফিরদের ক্ষেত্রে তাঁর ন্যায় বিচারের বর্ণনা দিয়েছেন। সুতরাং মুমিন ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কোন ভালোকাজের সওয়াবের হ্রাস করা হয় না; বরং স্বীয় আনুগত্যের কারণে সে দুনিয়াতেও ভালো ফলাফল পায় আবার আখিরাতেও তার প্রতিদান জমা করা থাকে; আবার কখনো কখনো পুরো প্রতিদান আখিরাতের জন্য সংরক্ষিত থাকে। আর কাফির ব্যক্তির ভালোকাজের প্রতিদান আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়াতে নি‘আমাতের মাধ্যমে দিয়ে থাকেন। এভাবে যখন সে আখিরাতে উপনীত হয়, তখন সেখানে তার প্রতিদান প্রাপ্তির কোন উপায় থাকে না। কেননা যে ভলো কাজ উভয়স্থানে উপকার করবে, এমন ভালোকাজের অধিকারীকে অবশ্যই মুমিন হতে হবে।
হাকীম ইবনু হিযাম রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি জাহিলী যুগে যেসব ভালোকাজ করতাম, যেমন: দান-সদকা, দাস আযাদ, রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখা ইত্যাদিতে আমার কোন সওয়াব হবে কি? তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তুমি তোমার পূর্বের ভালোকাজের সাথেই ইসলাম গ্রহণ করেছ।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, কোন কাফির ব্যক্তি যদি ইসলাম গ্রহণ করে, তবে ইসলাম গ্রহণের পূর্বে জাহিলী যুগে করা তার নেক আমলসমূহ যেমন: সদকা, দাস মুক্ত করা অথবা রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখা ইত্যাদির কারণে সে সওয়াব প্রাপ্ত হবে।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রদিয়াল্লাহু আনহুমা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “মুনাফিকের উদাহরণ হচ্ছে বিচরণকারী সেই ছাগীর মত, যে দুটি ছাগলের পালের মধ্যে ঘুরতে থাকে, একবার একটির কাছে আসে আবার অন্যটির কাছে যায়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাফিকের অবস্থা বর্ণনা করেছেন যে, সে হচ্ছে এমন দ্বিধাগ্রস্ত ছাগীর মত, যে নিজেও জানে না যে দুটি ছাগলের পালের মধ্যে তার কোনটির অনুসরণ করা উচিত। আর তাই সে একটির কাছে একবার যায় আবার পরক্ষণেই অপরটির কাছে যায়। মুনাফিকরা ঈমান ও কুফরের মধ্যে দ্বিধান্বিত থাকে, সুতরাং তারা প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কোনভাবেই মুসলিমদের সাথে থাকে না আবার কাফিরদের সাথে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্যভাবে থাকতে পারে না। বরং তারা বাহ্যিক দিকে থেকে মুসলিমদের সাথে থাকলেও তাদের অন্তর সন্দেহ ও সংশয়ে নিমজ্জিত থাকে; ফলে একবার এদিকে ঝুকে যায় আবার পরে অন্যদিকে ঝুকে পড়ে।
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল ‘আ্স রদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে ঈমান পুরাতন হতে থাকে, যেভাবে কাপড় পুরাতন হতে থাকে, সুতরাং আল্লাহর কাছে তোমরা দু‘আ করতে থাক, যেন তিনি তোমাদের অন্তরে ঈমানকে নবায়ন করে দেন।”
এটি হাকেম ও তবারানী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ প্রদান করছেন, ঈমান মুসলিম ব্যক্তির অন্তরে ক্ষয় ও দূর্বল হতে থাকে, দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে যেভাবে নতুন কাপড় ক্ষয় ও জীর্ণ হয়ে পড়ে। আর তা মূলত ইবাদাতে শৈথিল্য করা, পাপে লিপ্ত হওয়া অথবা প্রবৃত্তির অনুসরণে নিমজ্জিত হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। সেখান থেকে পরিত্রানের উপায় হিসেবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশনা দিয়েছেন যে, আমরা যেন আল্লাহ তা‘আলার কাছে দু‘আ করি যে, তিনি যেন ফরযসমূহ পালন করা ও বেশী বেশী যিকির ও ইস্তিগফার করার মাধ্যমে আমাদের ঈমানকে নবায়ন করে দেন।
আনাস রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আমি অবশ্যই তোমাদেরকে এমন একটি হাদীস শোনাবো, যা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করব, আর আমার পরে তোমাদেরকে এ হাদীস সম্পর্কে আর কেউই বলবে না, তা হল: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “কিয়ামাতের আলামতসমূহের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে: ইলম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা বেড়ে যাওয়া, ব্যভিচার বৃদ্ধি পাওয়া, মদ্যপান বেড়ে যাওয়া, পুরুষের সংখ্যা কমে যাওয়া ও নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া, এমনকি পঞ্চাশজন নারীর জন্য মাত্র একজন পরিচালক বিদ্যমান থাকবে।”
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন: কিয়ামাত কায়েমের সময় ঘনিয়ে আসার আলামত হচ্ছে শরী‘আতের জ্ঞান উঠে যাওয়া, আর তা হবে আলিমগণের মৃত্যুর মাধ্যমে। যার ফলাফল দাঁড়াবে- অজ্ঞতা বেড়ে যাবে ও সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। যিনা ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাবে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে আর নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এক পর্যায়ে পঞ্চাশজন নারীর উপরে একজন পুরুষ দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে, যে তাদের সুবিধা-অসুবিধা ও অন্যান্য বিষয়সমূহ দেখাশুনা করবে।