





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
ওয়াহশী ইবন হারব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাবার খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারি না। তিনি বললেনঃ “হয় তো তোমরা বিচ্ছিন্নভাবে খাও”। তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ “তোমরা একত্রে আহার করো এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করো, তাহলে তোমাদের খাদ্যে বরকত দেয়া হবে”।
এটি আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।কিছু সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা খাই কিন্তু পেট ভরে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: হয়তো খাওয়ার সময় তোমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাও; সবাই কি একা খায়? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন: অতএব তোমরা একত্রিত হও এবং আলাদা না হয়ে খাও আর খাওয়ার সময় بسم الله বলে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করো।তিনি তোমাদের জন্য তাতে বরকত দান করবেন এবং তোমাদের পেট ভরে যাবে।
জাবালাহ বিন সুহাইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন জুবাইয়ের সাথে আমরা একবার দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হলাম। ইত্যবসরে আমাদেরকে খেজুর দেয়া হল। এ দিকে আব্দুল্লাহ বিন ওমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমরা খাচ্ছিলাম। তিনি বললেন: তোমরা একসাথে দু’টি খেজুর খেয়ো না।কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এভাবে জোড়া করতে নিষেধ করেছেন।অতঃপর তিনি বলেন: তবে কেউ যদি তার ভাইয়ের অনুমতি নেয় সেটা ভিন্ন।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।জাবালাহ ইবন সুহাইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু সহ আমরা একবার দুর্ভিক্ষে নিপতিত হলাম। তিনি আমাদের খেতে কিছু খেজুর দিলেন। আর আব্দুল্লাহ বিন ওমার আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা তখন খাচ্ছিলাম। তিনি আমাদের সংবাদ দিলেন যে, একটি খেজুরের সাথে আরেকটি খেজুর মিলিয়ে কিংবা যা একটি করে খেতে হয় তা এক সঙ্গে দু’টি করে খেতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন। জামাআত বদ্ধভাবে খেলে এই হুকুম। তবে সাথীরা অনুমতি দিলে সমস্যা নেই। অতএব যে বস্তু একটি একটি খাওয়ার অভ্যাস, যেমন খেজুর, যখন আপনি একাধিক লোকের খাবেন তখন এক লুকমায় দু’টি ভক্ষণ করবে না। কারণ, এটা আপনার ভাইদের পীড়া দিবে। তাই অনুমতি ছাড়া তাদের থেকে বেশী খাবেন না। তবে আপনি যদি একসঙ্গে দু’টি খাওয়ার অনুমতি নেন এবং বলেন, আপনারা কি আমাকে এক সঙ্গে দু’টি করে খাওয়ার অনুমতি দিচ্ছেন? তারা অনুমতি দিলে কোনো সমস্যা নেই। সতর্কতা: সহীহ বুখারীতে فرزقنا শব্দটির চারটি বর্ণ যবরসহ এসেছে। এখানে দাতা হচ্ছেন ইবনে জুবায়ের। অর্থাৎ তিনি আমাদেরকে দিয়েছেন। আর বায়হাকীর বর্ণনায় فرزقنا শব্দের ‘রা’ বর্ণে পেশ দিয়ে পড়া হয়েছে। অর্থাৎ আমাদেরকে রিযিক দেওয়া হয়েছে। এ হিসেবে রিযিক দাতা হলেন আল্লাহ তাআলা।
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন আমাকে মি‘রাজে নিয়ে যাওয়া হলো, সে সময় এমন ধরনের কিছু মানুষের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম, যাদের নখ ছিল তামার, তা দিয়ে তারা নিজেদের মুখমণ্ডল খামচে ক্ষত-বিক্ষত করছিল। আমি, প্রশ্ন করলাম, ওরা কারা? হে জিবরীল! তিনি বললেন, ওরা সেই লোক, যারা মানুষের মাংস ভক্ষণ করত ও তাদের সম্ভ্রম লুটে বেড়াত”।
আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ইসরা ও মি'রাজের রাতে যখন তাঁকে আসমানে তুলে নেওয়া হয়, তখন তিনি তামার নখ বিশিষ্ট কিছু লোকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন, যা দিয়ে তারা তাদের মুখমন্ডল ও বুক ক্ষতিবিক্ষত এবং জখম করছিল। ফলে তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিব্রাইল আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞাসা করলেন: এই লোকেরা এমন কী করেছে যার জন্য এই শাস্তি দেওয়া হচ্ছে? জিব্রাইল আলাইহিস সালাম বললেন: এরা সেইসব লোক যারা মানুষের গীবত করে এবং তাদের সম্মান নিয়ে অন্যায়ভাবে কথা বলে।
আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘‘যে সরল পথ ও ইলম দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে তা ঐ বৃষ্টি সদৃশ যা যমীনে পৌঁছে। অতঃপর তার উর্বর অংশ নিজের মধ্যে তা শোষণ করে। অতঃপর তা ঘাস এবং প্রচুর শাক-সবজি উৎপন্ন করে এবং তার এক অংশ চাষের অযোগ্য (খাল জমি); যা পানি আটকে রাখে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা তার দ্বারা মানুষকে উপকৃত করেন। সুতরাং তারা তা হতে পান করে এবং (পশুদেরকে) পান করায়, জমি সেচে ও ফসল ফলায়। তার আর এক অংশ শক্ত সমতল ভূমি; যা না পানি শোষণ করে, না ঘাস উৎপন্ন করে। এই দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির যে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে জ্ঞানার্জন করল এবং আমি যে হিদায়াত ও জ্ঞান দিয়ে প্রেরিত হয়েছি, তার দ্বারা আল্লাহ তাকে উপকৃত করলেন। সুতরাং সে (নিজেও) শিক্ষা করল এবং (অপরকেও) শিক্ষা দিল। আর এই দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তিরও যে এ ব্যাপারে মাথাও উঠাল না এবং আল্লাহর সেই হিদায়াতও গ্রহণ করল না, যা দিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি।’’
সহীহ বুখারী ও মুসলিমনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিস্ময় প্রকাশ করে যে ব্যক্তি তাঁর আনীত পথ, শরীয়তের ইলম এবং যেই নির্দশন লক্ষ্যে পৌঁছায় তার দ্বারা উপকৃত হয় তাকে এমন জমিনের সাথে তুলনা করেছেন যেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, ফলে তা তিনভাগে বিভক্ত হয়: প্রথমটি: বিশুদ্ধ ভালো জমি যা বৃষ্টির পানি গ্রহণ করে, তাই এটি ভেজা এবং শুকনো উভয় ধরণের গাছপালা জন্মায় এবং মানুষ এর থেকে উপকৃত হয়। দ্বিতীয়ত: এমন জমি যা পানি ধরে রাখে কিন্তু ফসল ফলায় হয় না, এটি পানি ধরে রাখে যাতে মানুষ এর দ্বারা উপকৃত হয়। তারা নিজেরা পান করেন এবং তাদের গবাদি পশু ও ফসলের জন্য পানীয় সরবরাহ করেন। তৃতীয়ত: সমতল, মসৃণ জমি যা পানি ধরে রাখে না বা ফসল জন্মায় না। সেই জমি নিজে পানি থেকে উপকৃত হয় না এবং মানুষও এর থেকে কোন উপকার পায় না। অতএব নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইলম ও হেদায়েত দিয়ে প্রেরিত হয়েছেন, তা যারা শোনে, তারাও অনুরূপ। প্রথমত: সেই আলেম যিনি আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে গভীর ইলমের অধিকারী, যিনি নিজের ইলম অনুসারে আমল করেন এবং অন্যদের শিক্ষা দেন; তিনি ভালো মাটির মতো যে পানি পান করে নিজে উপকৃত হয় এবং ফসল উৎপাদন করে ফলে অন্যরাও উপকার হাসিল করে। দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করেছেন কিন্তু তার বুঝ ও গবেষণা নেই। সে ইলমের একজন সংগ্রাহক, ইলমের মধ্যেই তার সময় ডুবে থাকে, কিন্তু সে তার নফলের উপর আমল করেনি, অথবা সে যা সংগ্রহ করেছে তা বুঝতে সক্ষম হয়নি। সে অন্যদের জন্য একটি উপায় এবং সে সেই জমির মতো যেখানে পানি স্থির হয় যাতে লোকেরা তার থেকে উপকৃত হয়। তৃতীয়ত: যে ইলম শোনে কিন্তু তা মুখস্থ করে না, তা কাজে লাগায় না এবং অন্যদের কাছে তা পৌঁছায় না; সে এমন লবণাক্ত বা মসৃণ জমির মতো যেখানে কোনও গাছপালা নেই এবং যা পানি গ্রহণ করে না অথবা অন্যদের জন্য তা নষ্ট করে।
আবূ মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ হিসেবে বর্ণিত, একবার রাতের বেলায় মদিনার এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট জানানো হলে তিনি বললেন, “এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য চরম শত্রু। সুতরাং যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দাও।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।একবার রাতের বেলায় মদিনার এক ঘরে আগুন লেগে পুড়ে গেল। সংবাদটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের বললেন, এ আগুন নিঃসন্দেহে মানুষের চরম শত্রু; যদি না তারা এর লেলিহান শিখা ও এর জ্বালাও-পোড়াও স্বভাব থেকে বাঁচার চেষ্টা করে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগুন লাগার ক্ষয়-ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য তাদেরকে ঘুমানোর পূর্বে তা নিভিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।
নুমান ইবনু বাশির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খুরমাও পাননি।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননু'মান ইবনু বাশির রাদিয়াল্লাহু আনহু মানুষকে তাদের নিআমতের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং তারা যত খুশি খাবার ও পানীয় গ্রহণ করার মত অবস্থানে আছেন। তারপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থা বর্ণনা করেন যে, তিনি ক্ষুধার কারণে পেট ভরার মত কোন নিম্নমানের খেজুর খুঁজে পাননি।
আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মরফূ‘ হিসেবে বর্ণিত, ““কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্য হতে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে, যে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী ও বিলাসী ছিল। অতঃপর তাকে জাহান্নামে একবার (মাত্র) চুবানো হবে, তারপর তাকে বলা হবে, ‘হে আদম সন্তান! তুমি কি কখনো ভাল জিনিস দেখেছ? তোমার নিকটে কি কখনো সুখ-সামগ্রী এসেছে?’ সে বলবে, ‘না। আল্লাহর কসম! হে রব!’ আর জান্নাতীদের মধ্য হতে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে, যে দুনিয়ার সবচেয়ে দুখী ও অভাবী ছিল। তাকে জান্নাতে (মাত্র একবার) চুবানোর পর বলা হবে, ‘হে আদম সন্তান! তুমি কি (দুনিয়াতে) কখনো কষ্ট দেখছ? তোমার ওপরে কি কখনো বিপদ গেছে?’ সে বলবে, ‘না। আল্লাহর কসম! আমার ওপর কোনদিন কষ্ট আসেনি এবং আমি কখনো কোন বিপদও দেখিনি।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।“কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্য থেকে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে, যে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী ও বিলাসী ছিল। অতঃপর তাকে জাহান্নামে একবার ডুবানো হবে। এরপর তার রব তার অবস্থা জানা থাকা সত্ত্বেও জিজ্ঞেস করবেন, তুমি কি কখনো ভালো কিছু দেখেছ? তোমার নিকটে কি কখনো সুখ-সামগ্রী এসেছে? সে বলবে, না। আল্লাহর কসম! হে রব! অপরদিকে জান্নাতীদের মধ্য থেকে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে, যে দুনিয়ার সবচেয়ে দুঃখী, অভাবী ও প্রয়োজনগ্রস্ত ছিল। তাকে জান্নাতে চুবানো হলে সে দুনিয়ায় যে সকল অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিল যেমন, অসুস্থতা, দুর্বিপাক, দুঃখ, অভাব ও বিপদ সব কিছু ভুলে যাবে। যখন বর্ণনাহীন স্বাদ ও আনন্দ পাবে, সে সময় তার রব তার অবস্থা জানা থাকা সত্ত্বেও জিজ্ঞেস করবেন। তাকে বলা হবে, হে আদম সন্তান! তুমি কি দুনিয়াতে কখনো কষ্ট দেখছ? তোমার ওপর কি কখনো বিপদ গেছে? সে বলবে, না। আল্লাহর কসম! আমার ওপর কোনো দিন কষ্ট আসেনি এবং আমি কখনো কোনো বিপদও দেখি নি।
আবু কাতাদাহ আল আনসারী ও ইবনে আবী আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, “যে ব্যক্তি মানুষকে পান করায় সে সবার শেষে পান করবে।”
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।যে ব্যক্তি কোনো জনসমষ্টিকে পানি অথবা দুধ কিংবা কফি অথবা চা অথবা অন্য কিছু পান করাবে, সে সবার শেষে পান করবে।
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যমযমের পানি পান করিয়েছি। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করেছেন।নায্যাল ইবনে সাবরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুফা নগরীর ‘রাহবাহ’র দ্বারপ্রান্তে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এসে দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন এবং বললেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঠিক এভাবে (পান) করতে দেখেছি, যেভাবে তোমরা আমাকে (পান) করতে দেখলে।’ আমর ইবনে শুআইব তার বাবা থেকে, আর তার বাবা তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দাঁড়িয়ে ও বসে পান করতে দেখেছি।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।ইবনে আব্বাস সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যমযমের পানি পান করিয়েছেন। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করেছেন। আর আলী ইবনে আবু তালিবও দাঁড়িয়ে পান করেছেন এবং বলেছেন: তোমরা আমাকে যেরূপ করতে দেখেছ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সেরূপ করেছেন। একই সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দাঁড়িয়ে ও বসে উভয় অবস্থায় পান করতে দেখেছেন।