





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আব্দুল্লাহর ইবন ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণিত “যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং আমাদের বড়দের সম্মান জানে না সে আমার দলভুক্ত নয়।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।মুসলিমদের মধ্যে যারা ছোটদের প্রতি অনুগ্রহ, দয়া এবং তাদের সাথে খেল তামাশা করে না তারা সুন্নাতের অনুসারী এবং সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরেন এমন মুসলিম নন। অনুরূপভাবে যে বড়দের উপযুক্ত ইজ্জত ও সম্মান সম্পর্কে জানে না সেও।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে দুই ভাই ছিল। তাদের মধ্যে একজন নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে (দ্বীন শিক্ষার জন্য) আসত আরেকজন কোনো পেশায় নিয়োজিত ছিল। অতঃপর উপার্জনশীল (ভাইটা) নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার (শিক্ষার্থী) ভাইয়ের (কাজ না করার) অভিযোগ করল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “সম্ভবতঃ তোমাকে তার কারণেই রুযী দেওয়া হচ্ছে।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহর যামানায় দুই ভাই ছিল। তাদের একজন রাসূলের মজলিসে আসা যাওয়া করত এবং সর্বক্ষণ দরবারে পড়ে থাকত যাতে সে তার কথা ও কর্ম অবলোকন করতে এবং তার থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। আর অপর ভাই কাজ কর্ম ও কামাই রুজিতে লিপ্ত থাকত। একবার কর্মঠ ভাইটি রাসূলুল্লাহর নিকট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তখন রাসূলুল্লাহ তাকে সান্তনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বললেন, হতে পারে তার বিষয়টা তোমার আঞ্জাম দেওয়া তোমার রিযিক লাভ করার উপায়। কারণ, আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ না সে তার অপর ভাইয়ের সাহায্যে লিপ্ত।
সামুরাহ ইবনে জুনদুব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে কিশোর ছিলাম। আমি তাঁর কথাগুলি মুখস্থ ক’রে নিতাম। কিন্তু আমাকে কথা বলতে একটাই জিনিস বাধা সৃষ্টি করত যে, সেখানে আমার চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ উপস্থিত থাকত।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।সামুরাহ ইবন জুনদব রাদিয়াল্লাহু সংবাদ দেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহর যামানায় কম বয়সী ছিলেন। তিনি রাসূলের অনেক কথাই মুখস্থ করতেন। কিন্তু তাকে সেগুলো বর্ণনা করতে কেউ নিষেধ করত না একমাত্র তার চেয়ে বয়স্ক লোক উপস্থিত থাকা ছাড়া।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক মিসকীন মহিলা তার দু’টি কন্যাকে (কোলে) বহন ক’রে আমার কাছে এল। আমি তাকে তিনটি খুরমা দিলাম। অতঃপর সে তার কন্যা দু’টিকে একটি একটি ক’রে খুরমা দিল এবং সে নিজে খাবার জন্য একটি খুরমা মুখ-পর্যন্ত তুলল। কিন্তু তার কন্যা দু’টি সেটিও খেতে চাইল। সুতরাং মহিলাটি যে খেজুরটি নিজে খেতে ইচ্ছা করেছিল, সেটিকে দু’ভাগে ভাগ ক’রে তাদের মধ্যে বন্টন ক’রে দিল। সুতরাং তার (এ) অবস্থা আমাকে মুগ্ধ করল। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মহিলাটির ঘটনা বর্ণনা করলাম। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য তার এ কাজের বিনিময়ে জান্নাত ওয়াজেব ক’রে দিয়েছেন অথবা তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত ক’রে দিয়েছেন।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনমুমিনদের মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন যে, একজন দরিদ্র মহিলা দুটি কন্যা কোলে নিয়ে তার কাছে কিছু প্রার্থনা করল। তিনি তাকে তিনটি খেজুর খেতে দিলেন। সে তার দুই মেয়েকে একটি করে খেজুর দিল আর নিজে খাওয়ার জন্য মুখে একটি খেজুর তুলে নিল। তখন তার দুই মেয়ে সে যেটি খাওয়ার ইচ্ছে করেছিল সেটি তার কাছে চাইল, তাই সে তাদের মধ্যে খেজুরটি ভাগ করে দিল। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার অবস্থা দেখে মুগ্ধ হলেন এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার আচরণের কথা উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন: এই খেজুর এর বিনিময়ে আল্লাহ তাকে জান্নাত অবধারিত করে দিয়েছেন, অথবা এর মাধ্যমে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন।
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এক ব্যক্তি অন্য কোন গ্রামে তার ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হল। আল্লাহ তা‘আলা তার রাস্তায় এক ফিরিশতাকে বসিয়ে দিলেন, তিনি তার অপেক্ষা করতে থাকলেন। যখন সে তাঁর কাছে পৌঁছল, তখন তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’ সে বলল, ‘এ লোকালয়ে আমার এক ভাই আছে, আমি তার কাছে যাচ্ছি।’ ফিরিশতা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার প্রতি কি তার কোন অনুগ্রহ রয়েছে, যার বিনিময় দেওয়ার জন্য তুমি যাচ্ছ?’ সে বলল, ‘না, আমি তার নিকট কেবল এই জন্য যাচ্ছি যে, আমি তাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসি।’ ফিরিশতা বললেন, ‘(তাহলে শোনো) আমি তোমার নিকট আল্লাহর দূত হিসাবে (এ কথা জানাবার জন্য) এসেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে ভালবাসেন; যেমন তুমি তাকে আল্লাহর জন্য ভালবাস।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগেকার উম্মাতদের থেকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেন যে, সে অন্য কোন গ্রামে তার এক ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হল। আল্লাহ তা‘আলা তার রাস্তায় এক ফিরিশতাকে বসিয়ে দিলেন, যে তাকে হিফাযত ও পর্যবেক্ষণ করবে। তারপর ফিরিশতা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’ সে তাকে বলল, ‘এ লোকালয়ে তার একজন দীনি ভাই আছে, সে তার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে।’ ফিরিশতা জিজ্ঞেস করলেন, ‘সে কি তোমার গোলাম বা সন্তান বা এমন কোন লোক যার জন্য খরচা করা বা তার দেখা শোনা করা তোমার ওপর ওয়াজিব বা তাতে তোমার কোন স্বার্থ আছে? যার বিনিময় দেওয়ার জন্য তুমি তার কাছে যাচ্ছ?’ সে বলল, ‘না, আমি তাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। আর তার সাক্ষাতে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করি। তখন ফিরিশতা তাকে জানিয়ে দেন যে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন দূত হিসাবে (এ কথা জানাবার জন্য) এসেছে, যাতে সে তাকে জানিয়ে দেয় যে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ভালবাসেন; যেমনিভাবে সে তার ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালবাসেন।
আবূ হুরায়ারা বাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে, “মিসকীন সে নয়, যাকে একটি খেজুর এবং দু’টি খেজুর এবং এক গ্রাস বা’ দুই গ্রাস (অন্ন) দেওয়া হয়, বরং মিসকীনতো ঐ ব্যক্তি(অভাব থাকা সত্বেও) চাওয়া থেকে দূরে থাক।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।হাদীসটিতে প্রকৃত দরিদ্রতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। তাতে বলা হয় প্রশংসিত মিসকীন যে সাদকা পাওয়ার হকদার এবং মুখাপেক্ষী সে হলো ঐ ব্যক্তি যে মানুষের কাছে হাত পাতে না। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ভিক্ষুককে দরিদ্র বলেননি সে হলো ঐ ভিক্ষুক যে, ঘুরে বেড়ায়। কারণ, তার নিকট পর্যাপ্ত খাবার পৌঁছে এবং তাকে যাকাত দেওয়া হয়, ফলে তার অভাব স্থায়ী হয় না। তবে যারা মানুষের কাছে হাত পাতে না এবং ভিক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্য ভানও করে না তাদের অভাবটা স্থায়ী হয়।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আন্হা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাঁকে বললেন যে, “এটা আযাব; আল্লাহ তা‘আলা যার প্রতি ইচ্ছা করেন এটা প্রেরণ করেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা একে মু’মিনদের জন্য রহমত বানিয়ে দিলেন। ফলে (এখন) যে ব্যক্তি পেঙ্গগ রোগে আক্রান্ত হবে এবং সে নিজ দেশে ধৈর্য সহকারে নেকীর নিয়তে অবস্থান করবে, সে জানবে যে, তাকে তাই স্পর্শ করবে যা আল্লাহ তাআলা তার জন্য লিখে দিয়েছেন, তাহলে সে ব্যক্তির জন্য শহীদের মত পুরস্কার রয়েছে।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার হাদিসে রয়েছে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহামারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি তাকে জানান যে, প্লেগ একটি আযাব; আল্লাহ তা‘আলা যার প্রতি ইচ্ছা করেন এটা প্রেরণ করেন। এটি নির্দিষ্ট হোক বা কলেরা ইত্যাদির মতো ব্যাপক হোক তবে তা অবশ্যই আযাব যা আল্লাহ তা‘আলা প্রেরণ করেন। তবে তা মু’মিনদের জন্য রহমত, যখন কোন যমীনে তা দেখা যাবে আর সেখানে সে ধৈর্য ধারণ ও সাওয়াবের আশায় অবস্থান করবে এবং এ বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ তার জন্য যা লিপিবদ্ধ করেছেন তাই তার ভাগ্যে জুটবে, তখন আল্লাহ তার জন্য শহীদের সাওয়াব লিপিবদ্ধ করবেন। এ কারণেই বিশুদ্ধ হাদীসে এসেছে—আব্দুর রহমান ইবন আউফ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত: যখন তোমরা যমীনে তা‘উন সম্পর্কে শুনতে পাও, তবে তোমরা তাতে আগমন করো না। আর যদি তুমি নিজ দেশে শুনতে পাও এবং তুমি সেখানে অবস্থান করছ, তাহলে তোমরা তা থেকে পলায়ন করো না। সুতরাং যখন তা‘উন কোন দেশে দেখা দেবে আমরা অবশ্যই তাতে আগমন করব না। কারণ, তাতে আগমন করা মানে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া। কিন্তু যখন আমার নিজের দেশে তা দেখা যায় এবং আমি সেখানে অবস্থান করছি আমি সেখান থেকে পলায়ন করব না। কারণ, যখনই তুমি আল্লাহর নির্ধারিত ভাগ্য থেকে পলায়ন করবে তবে মনে রাখবে এ ধরনের পলায়ন করা তোমাকে আল্লাহর থেকে একটুও উপকারে আসবে না। কারণ, আল্লাহর ফায়সালা থেকে পলায়ন করার কোন সুযোগ নেই। আল্লাহর নিকট ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। তা‘উনের ওপর ধৈর্যধারণকারী ও সাওয়াবের আশাকারী শহীদের দরজা লাভের রহস্য হলো: তা‘উন যখন কোন ব্যক্তির নিজের এলাকায় দেখা দেয়, তখন তার নিকট বেঁচে থাকা অবশ্যই অতি মুল্যবান। তাই সে তাউনের ভয়ে পলায়ন করছে। কিন্তু যখন সে ধৈর্য ধারণ করবে, নিজ এলাকায় অবস্থান করবে এবং সাওয়াবের আশা করবে আর এ বিশ্বাস করবে যে, তার ভাগ্যে তাই ঝুটবে যা আল্লাহ তার জন্য লিপিবদ্ধ করেছে অত:পর সে মারা গেল তার জন্য অবশ্যই শহীদের সাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে। এটি আল্লাহর নি‘আমত।
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তোমরা কি জান, নিঃস্ব কে?’’ তাঁরা বললেন, ‘আমাদের মধ্যে নিঃস্ব ঐ ব্যক্তি, যার কাছে কোন দিরহাম এবং কোনো আসবাব-পত্র নেই।’ তিনি বললেন, ‘‘আমার উম্মতের মধ্যে (আসল) নিঃস্ব তো সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন নামায, রোযা ও যাকাতের (নেকী) নিয়ে হাযির হবে। (কিন্তু এর সাথে সাথে সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে। কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছে, কারো (অবৈধরূপে) মাল ভক্ষণ করেছে। কারো রক্তপাত করেছে এবং কাউকে মেরেছে। অতঃপর এ (অত্যাচারিত)কে তার নেকী দেওয়া হবে, এ (অত্যাচারিত)কে তার নেকী দেওয়া হবে। পরিশেষে যদি তার নেকীরাশি অন্যান্যদের দাবী পূরণ করার পূর্বেই শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাদের পাপরাশি নিয়ে তার উপর নিক্ষেপ করা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’’
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেছেন যে, তোমরা কি জানো মুফলিস তথা অভাবী কে? তারা তাকে সেভাবেই সংবাদ দিল, যা মানুষের ভেতর প্রসিদ্ধ ছিল। তারা বলল, যার নিকট টাকা ও সামগ্রী নেই সেই অভাবী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সংবাদ দিলেন, এই উম্মতের মুফলিস হচ্ছে ওই ব্যক্তি যে কিয়ামতের দিন আসবে বড় সাওয়াব ও অনেক সৎকর্ম নিয়ে, যেমন সালাত, সিয়াম ও যাকাত। সে আসবে ঠিকই অথচ একে গালি দিয়েছে, একে প্রহার করেছে, তার সম্পদ ভক্ষণ করেছে, তাকে অপবাদ দিয়েছে, তার রক্ত প্রবাহিত করেছে, আর মানুষেরা তাদের হক নিতে চাইবে, যা তারা দুনিয়ায় নিতে পারেনি সেটা তারা আখিরাতে নিবে। আল্লাহ তাদের জন্য তার থেকে বদলা নিবেন, ফলে এ তার সাওয়াব নিবে, এ তার সাওয়াব নিবে এবং এ তার সাওয়াব নিবে ইনসাফের সাথে এবং বদলা নিবে যুলুম ব্যতীত। এভাবে যদি তার সাওয়াব শেষ হয়ে যায়, তাদের পাপ নিয়ে তার উপর নিক্ষেপ করা হবে এবং তাকে জাহান্নামে ফেলা হবে।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইয়া যাল জালালি ওয়াল-ইকরাম’ বাক্যটিকে তোমরা সর্বদা অধিক হারে বলো।”
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।হাদীসটিতে (ألظوا) একটি নির্দেশমূলক বাক্য। অর্থাৎ এ দো‘আটিকে তোমরা বাধ্যতামূলক কর, বেশি বেশি কর। উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমাদের দো‘আয় এ বাক্যটি বেশি বেশি বল এবং তা তোমাদের মুখের বুলিতে পরিণত কর। কারণ, এটি আল্লাহর নামসমূহ থেকে একটি নামকে শামিল করেছে। কেউ কেউ বলেছেন, এটি ইসমে আজম বা বড় নাম। কারণ, এটি রুবুবিয়্যাহ ও উলুহিয়্যার সমস্ত গুণাগুণকে শামিল করেছে।