





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন তোমাদের কেউ কোন মজলিসে আসে, তখন সে যেন সালাম দেয়। যখন সে দাঁড়াতে চায়, তখন যেন সালাম দেয়। প্রথমটি শেষটির চেয়ে বেশি যোগ্য নয়।"
সুনানে আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ীর সুনানুল কুবরা ও মুসনাদে আহমদনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এমন স্থানে আসে যেখানে লোকেরা বসে আছে, সে তাদের সালাম করবে এবং যদি সে সেখান থেকে উঠতে চায়, তাহলে তার উচিত তার সাথীদেরকে সালামের সাথে বিদায় জানানো। আগমনের সময় প্রথম সালাম প্রস্থানের সময় দ্বিতীয় সালামের চেয়ে বেশি উপযুক্ত নয়।
সাবিত সূত্রে আনাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে যেভাবে সলাত আদায় করতেন তোমাদের নিয়ে সেভাবে সালাত আদায় করতে আমি ত্রুটি করবো না। সাবিত বলেন, আনাস এমন কিছু করতেন যা তোমাদের করতে দেখিনা। তিনি রুকূ‘ হতে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে এত বিলম্ব করতেন যে, কেউ বলত, তিনি (সিজ্দাহ্র কথা) ভুলে গেছেন”।
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।আনাস ইব্নু মালিক রাদয়িাল্লাহু আনহু বলতেন, আমি অবশ্যই সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যেভাবে আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করতে দেখেছি তোমাদের সেভাবেই সলাত আদায় করে দেখাব, যাতে তোমরা তার অনুসরণ কর এবং তার মতো সালাত আদায় করো। সাবিত বুনানী বলেন, আনাস ইব্নু মালিক সালাত পুরো করতে এবং সুন্দর করতে এমন কিছু করতেন যা তোমাদের করতে দেখিনা। ফলে তিনি যখন রুকূ‘ হতে মাথা তুলে দাঁড়াতেন তখন তিনি এত বিলম্ব করতেন যে, দীর্ঘ কিয়ামের কারণে কেউ বলত, তিনি যে রুকু ও সিজদার মাঝে কিয়াম অবস্থায় আছেন তা ভুলে গেছেন। আর যখন তিনি সেজদা থেকে মাথা উঠাতেন এতো সময় অবস্থান করতেন এমনকি দীর্ঘ সময় বসার কারণে কেউ বলত তিনি ভুলে গেছেন।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফূ‘ সনদে বর্ণিত: “জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে তর্ক-বির্তক হলো। জাহান্নাম বললো, যতো স্বৈরাচারী যালিম ও অহংকারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, ফকীর-মিসকীন ও দুর্বল ব্যক্তিরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের উভয়ের মাঝে মীমাংসা করে দিবেন। আল্লাহ তা'আলা জান্নাতকে বলবেন, তুমি জান্নাত, তুমি আমার রাহমাত, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা দয়া করবো। জাহান্নামকে বলবেন, তুমি আগুন, তুমি আমার আযাব, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবো। তোমাদের উভয়কে পরিপূর্ণ করার দায়িত্ব আমার।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।হাদীসটির অর্থ: জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়ে পরস্পর বিতর্ক করেছিল। প্রত্যেকে নিজ নিজ পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। এ বিষয়টি একটি গাইবী বিষয় যার প্রতি ঈমান আনয়ন করা আমাদের ওপর ওয়াজিব, যদিও মানব জ্ঞান ও যুক্তি তা অসম্ভব মনে করে থাকে। জান্নাত জাহান্নামের বিপক্ষে এবং জাহান্নাম জান্নাতের বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। জাহান্নাম এ বলে যুক্তি পেশ করে যে, তার মধ্যে রয়েছে স্বৈরাচারী, যালিম ও অহংকারীরা। স্বৈরাচারী-যালিম বলতে বুঝানো হয়েছে তাদেরকে যারা শক্ত ও কঠিন স্বভাবের লোকেরা, আর অহংকারী বলতে বুঝানো হয়েছে তাদেরকে যারা উচ্চাভিলাষী, মানুষকে নিকৃষ্ট জ্ঞানকারী ও সত্যকে প্রত্যাখ্যানকারী। যেমন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অহংকার বিষয়ে বলেন, তা হলো, সত্যকে প্রত্যাখ্যান ও মানুষকে ছোট করা। সুতরাং যারা যালিম-স্বৈরাচারী ও অহংকারী তারাই জাহান্নামী। নাউযুবিল্লাহ। কখনো কখনো জাহান্নামীও মানুষের প্রতি নম্র ও ভালো চরিত্রের হয়। কিন্তু সে সত্যকে প্রত্যাখ্যানকারী, হককে অস্বীকারকারী, তার নমনীয়তা ও মানুষের প্রতি দয়া কোনো কাজে আসবে না। বরং মানুষের প্রতি নমনীয় হলেও তারা স্বৈরাচারী ও অহংকারীই বিবেচিত হবে। কারণ, তারা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং অহংকার করে। আর জান্নাত বলে, ফকীর-মিসকীন ও দুর্বল ব্যক্তিরা রয়েছে তার মধ্যে। এ ধরনের লোক স্বভাবতই হকের অনুগত ও অনুসারী হয়ে থাকে। আর যালিম, স্বৈরাচারীগণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হকের অনুগত হয় না। আল্লাহ তা‘আলা উভয়ের মাঝে মীমাংসা করে দেন। তিনি জান্নাতকে বলেন, তুমি জান্নাত,তুমি আমার রহমত, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা দয়া করবো। জাহান্নামকে বলেন, তুমি আগুন, তুমি আমার আযাব, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেবো। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, “তোমাদের উভয়কে পরিপূর্ণ করার দায়িত্ব আমার।” আল্লাহ তা‘আলা জান্নাত ও জাহান্নামকে ভরে দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন এবং নিজের ওপর তা ওয়াজিব করে নিয়েছেন। আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত আল্লাহর ক্ষোভের চেয়ে অধিক ব্যাপক। কিয়ামতের দিন আল্লাহ যাদের জাহান্নামে দেয়ার দেবেন। তখন জাহান্নাম বলবে, আরও বেশি আছে কি? অর্থাৎ আমাকে আরো দাও, আমাকে আরও দাও, আরও বাড়িয়ে দাও। তখন আল্লাহ তার পা জাহান্নামের ওপর রাখবেন। আল্লাহর পা রাখার প্রভাবে জাহান্নামের একটি অংশ অপর অংশের সাথে মিশে যাবে। আর জাহান্নাম বলবে, থামো থামো। এ হলো জাহান্নামের পূর্ণতা। আর জান্নাত অনেক প্রশস্ত, তার পরিধি আসমানসমূহ ও জমীনের সমান। জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশের পর আরও অনেক জায়গা অবশিষ্ট থাকবে। তখন আল্লাহ আরও কতক সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন এবং স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা নিজেই তা পুরো করার দায়িত্ব নিয়েছেন।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু (তাঁর যুগের লোকদেরকে সম্বোধন ক’রে) বলেছেন যে, ‘তোমরা বহু এমন (পাপ) কাজ করছ, সেগুলো তোমাদের দৃষ্টিতে চুল থেকেও সূক্ষ্ম (নগণ্য)। কিন্তু আমরা সেগুলোকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে বিনাশকারী মহাপাপ বলে গণ্য করতাম।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।আমলে অলসতাকারী একটি জামাতকে মহান সাহাবী আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু এ বলে সম্বোধন করেন যে, গুনাহের ভয়াবহতা সম্পর্কে তোমাদের দৃষ্টি না থাকার কারণে তোমরা কতক গুনাহ হালকা করে দেখ। তা তোমাদের নিকট খুব ছোট। আর সাহাবীগণ গুনাহের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতো, তাদের মধ্যে আল্লাহর ভয় থাকা এবং নিজেদের হিসাব ও আল্লাহর উপস্থিতি অবলোকন করত বলে তারা তাকে ধ্বংস ও হালাক হিসেবে গণনা করত।
উসাইদ ইবনে হুধাইর ও আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, একজন আনসারী বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাকে সরকারী কোন পদ দেবেন না, যেমন অমুক লোককে দিয়েছেন?’ তিনি বললেন, “তোমরা আমার (মৃত্যুর) পর অগ্রাধিকার দেখবে! সুতরাং ধৈর্য ধারণ করবে; যে অবধি তোমরা হাওযের কাছে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করবে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর নিকট এসে অন্যান্যদের মতো তাকেও কোন একটি পদে দায়িত্বশীল বানানোর জন্যে আবেদন করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি বিষয় জানিয়ে দিলেন। সেটি হলো তার সাহাবীদের করণীয় হলো ভবিষ্যতে জনগনের সম্পদ আত্মসাৎকারী শাসকদের থেকে যে সব জুলুম অত্যাচারের সম্মূখীন হবে তার ওপর ধৈর্য ধারণ করা। সুতরাং তিনি তাদের ধৈর্য ধারণ করতে নির্দেশ দেন যতদিন না তারা তার হাউযে তার সাক্ষাৎ না করবে।
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা যখন তার কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে বিপদে নিক্ষেপ করে শাস্তি দেন। আর যখন তিনি তার কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তাকে তার অপরাধের শাস্তি প্রদান থেকে বিরত থাকেন। যাতে কিয়ামতের দিন তিনি তাকে পুরাপুরি শাস্তি দেন।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিচ্ছেন যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার কল্যাণে ইচ্ছা করার নিদর্শন হচ্ছে, দুনিয়াতে নগদে তার গুনাহের ওপর শাস্তি দেয়া; যাতে সে গুনাহ থেকে পরিস্কার হয়ে যায় এবং তার কোনো গুণাহ না থাকে, যদ্বারা কিয়ামতের দিন তাকে শাস্তি দিবেন। কেননা যার আমলের হিসাব দুনিয়াতেই হবে আখেরাতে তার হিসাব হালকা হবে। আর বান্দার প্রতি কল্যাণ সাধনের নিদর্শন হচ্ছে, বান্দার গুণাহর কারণে দুনিয়াতে তাকে শাস্তি না দেওয়া। যাতে কিয়ামতের দিন সে পুরাপুরি গুণাহ নিয়ে উপস্থিত হয়। এরপর কিয়ামতের দিন তাকে তার প্রাপ্য হিসেবে প্রতিদান দেওয়া হবে।
মুস‘আব ইবনু সা‘দ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন সা‘দ রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর ধারণা ছিল অন্যদের চেয়ে তাঁর মর্যাদা অধিক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা দুর্বলদের (দু‘আয়) ওয়াসীলায়ই সাহায্য প্রাপ্ত ও রিয্ক প্রাপ্ত হচ্ছ”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু তার সাহসিকতা এবং অনুরূপ কাজের কারণে ভেবেছিলেন যে তিনি তার নীচের দুর্বল লোকদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন! তারপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা তো তোমাদের দুর্বলদের দোআ, সালাত ও ইখলাস ছাড়া বিজয় এবং রিযিক লাভ কর না? তারা প্রায়শই দোআয় আরও আন্তরিক এবং তাদের ইবাদতে আরও বিনয়ী হয়, কারণ তাদের হৃদয় এই পৃথিবীর সাজসজ্জার প্রতি আসক্তি থেকে মুক্ত।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি কোন রোগীকে দেখতে যায় অথবা তার কোন ভাইকে আল্লাহর ওয়াস্তে দেখতে যায়, সে ব্যক্তিকে এক (গায়বী) আহবানকারী আহবান ক’রে বলে, ‘সুখী হও তুমি, সুখকর হোক তোমার যাত্রা আর জান্নাতে তোমার একটি প্রাসাদ হোক”।
এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।যে ব্যক্তি কোন রোগীকে দেখতে যায় অথবা তার কোন ভাইয়ের সাথে আল্লাহর ওয়াস্তে সাক্ষাৎ করে, আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফিরিশতা সে ব্যক্তিকে আহবান করে বলে, তুমি গুনাহসমূহ হতে পবিত্র হয়ে গেলে এবং আল্লাহর নিকট তোমার জন্য যে বিশাল বিনিময় রয়েছে তা উম্মুক্ত করলে। আর জান্নাতের প্রাসাদ গ্রহণ করলে যাতে তুমি বসবাস করবে।
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেয়ার জন্য তিনবার বলতেন। আর যখন তিনি কোন গোত্রের নিকট এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম দিতেন।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর হাদীসে বলা হয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেয়ার জন্য তিনবার বলতেন। তার বাণী: “যাতে তা বুঝা যায়” এ কথা প্রমাণ করে যে, যদি একাধিকবার বলা ছাড়া বুঝে ফেলে তখন তিনি তা বারবার বলতেন না। কিন্তু যদি মানুষ না বুঝতো যেমন সে অর্থ ভালো জানে না। তখন তার জন্য বারবার বলত যাতে সে বুঝে। অথবা যদি কানে কম শোনে অথবা সেখানে হৈচৈ তখন কথাকে একাধিকবার বলা মুস্তাহাব যাতে সে তোমার থেকে কথা বুঝে নেয়। আর যখন তিনি কোন গোত্রের নিকট এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তিনবার সালাম দিতেন। অর্থাৎ তিনবারের বেশি সালাম দিতেন না। একবারই সালাম দিতেন। যখন উত্তর না দিতো দ্বিতীয়বার সালাম দিতেন আর যখন দ্বিতীয়বার উত্তর না দিতেন তখন তিনি তিনবার সালাম দিতেন। অনুরূপভাবে অনুমতির ক্ষেত্রে তিনি তিনবার অনুমতি চাইতেন। যখন কোন মানুষের ঘরে প্রবেশের জন্য তার বাড়ীতে আসতেন তখন তিনি তার দরজায় তিনবার আওয়াজ করতেন। যখন সে উত্তর না দিত ফিরে যেতেন। এটি ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত তিনি যাবতীয় কর্ম তিনবার করতেন তারপর বিরত থাকতেন।