





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
জুনদাব ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক ব্যক্তি বলল, আল্লাহ অমুককে ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ বললেন, কে আমার ওপর বড়াই করে বলে, আমি অমুককে ক্ষমা করবো না? আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি এবং তোমার আমলকে নষ্ট করে দিয়েছি। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর অপর একটি হাদীসে বর্ণিত, কথাটি যিনি বললেন, তিনি ছিলেন একজন ইবাদতগুজার। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বললেন, তিনি এমন একটি কথা বলেছেন, যা তার দুনিয়া ও আখিরাত উভয়টিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবানের বিপদ থেকে সতর্কতা অবলম্বন বিষয়ে আমাদের সংবাদ দেন যে, এক ব্যক্তি শপথ করে বলল, আল্লাহ অমুক অপরাধীকে ক্ষমা করবেন না। লোকটি যেন আল্লাহর ওপর ফয়সালা করল এবং তাকে সংকীর্ণ করে দিল। কারণ, সে অন্তরে বিশ্বাস করল যে, তার জন্যে আল্লাহর সম্মান ও বড়ত্ব রয়েছে, আর ঐ অপরাধীর জন্যে রয়েছে অসম্মান। এটিই হচ্ছে আল্লাহকে পথ দেখানো ও তার সাথে বেআদবির করার শামিল। এ কারণেই তার জন্যে দুনিয়া ও আখিরাতের হতাশা ও ক্ষতি অবধারিত হয়ে গেলো।
ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “যে কোন প্রাণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হবে, তার পাপের একটা অংশ আদমের প্রথম সন্তান (কাবীল) এর উপর বর্তাবে। কেননা, সে হত্যার রীতি সর্বপ্রথম চালু করেছে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।যে কোন প্রাণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করার দায়ভার আদমের এক সন্তানের বহন করার কারণ এ হাদীসটি বর্ণনা করছে। কারণ, কাবীল তার ভাই হাবীলকে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে হত্যা করেছে। আদম সন্তানের মধ্যে এটিই ছিল সর্ব প্রথম হত্যাকান্ড। সুতরাং কাবীল তারপর যত হত্যাকান্ড ঘটবে তার একটি গুনাহ বহন করবে। কারণ, সেই সর্ব প্রথম হত্যা করার প্রচলন করে। তারপর যারাই এ ধরনের কর্ম করবে সে তাঁরই অনুকরণ করল। যদিও (তার মাঝে ও হত্যাকারীর মাঝে) একটি মাধ্যম বা একাধিক মাধ্যম।
আবূ হুরায়রা রাদয়িাল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, “মানুষ বাচ-বিচার না করে এমন কথাবার্তা বলে ফেলে, যার ফলে সে জাহান্নামের ভেতর পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যবর্তী দূরত্ব থেকেও বেশি দূরত্বে গিয়ে পতিত হয়।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম আমাদের সংবাদ দেন যে, কিছু মানুষ এমন আছে যারা কথা বলার সময় কথাটি ভালো কি মন্দ তা চিন্তা করে না। যার ফলে এ ধরনের চিন্তা ফিকির ছাড়া কথা বলার কারণে লোকটি নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে যায়। নিজেকে আল্লাহর আযাবের জন্য জাহান্নামে নিক্ষেপ করে। নাঊযুবিল্লাহ। অনেক সময় জাহান্নামের এতো গভীরে গিয়ে পতিত হয়, যা পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্ব থেকে বেশি।
আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে মারফু হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি স্বীয় গৃহ থেকে বের হওয়ার সময় বলে, ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, অলা হাওলা অলা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ (আমি আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপ থেকে ফিরা ও পুণ্য করা সম্ভব নয়।) তাকে বলা হয়, ‘তোমাকে সঠিক পথ দেওয়া হল, তোমাকে যথেষ্টতা দান করা হল এবং তোমাকে বাঁচিয়ে নেওয়া হল।’ আর শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যায়।” আবূ দাউদ এই শব্দগুলি বাড়তি বর্ণনা করেছেন, “ফলে শয়তান অন্য শয়তানকে বলে যে, ‘ঐ ব্যক্তির উপর তোমার কিরূপে কর্তৃত্ব চলবে, যাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করা হয়েছে, যাকে যথেষ্টতা দান করা হয়েছে এবং যাকে (সকল অমঙ্গল) থেকে বাঁচানো হয়েছে?’
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দেন, যে ব্যক্তি স্বীয় গৃহ থেকে বের হওয়ার সময় বলে, ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, অলা হাওলা অলা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ (অর্থাৎ, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপ থেকে ফিরা ও পুণ্য করা সম্ভব নয়।) তাকে একজন ফিরিশতা আহ্বান করে বলে হে আল্লাহর বান্দা! ‘তোমাকে সঠিক পথ দেওয়া হল, দুশ্চিন্তা থেকে তোমাকে সুরক্ষা দান করা হল এবং দুশমন থেকে তোমাকে বাঁচিয়ে নেওয়া হল।’ আর তার জন্য নিয়োজিত শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যায়। ফলে অপর শয়তান এ শয়তানকে বলে যে, ‘গোমরাহ করার জন্য ঐ ব্যক্তির উপর তোমার কিরূপে কর্তৃত্ব চলবে, যাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করা হয়েছে, যাকে সুরক্ষা দান করা হয়েছে এবং যাকে সব শয়তান থেকে বাঁচানো হয়েছে?’ কারণ, সে এ বাক্যগুলো বলেছে সুতরাং তুমি তার ওপর সক্ষম হবে না।
আবূ উমামাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিদায় হজের খুতবায় বলতে শুনেছি: “তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো। তোমাদের রামাযান মাসের সাওম পালন করো, তোমাদের ধন-দৌলতের যাকাত আদায় করো এবং তোমাদের প্রশাসকগণের আনুগত্য করো, তবেই তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশম হিজরিতে বিদায় হজে আরাফার দিনে খুতবা দিলেন। এ হজকে বিদায় হজ বলে নামকরণ করা হয়; কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হজেই মানুষকে বিদায় জানিয়েছিলেন। তিনি সকল মানুষকে তাদের রবের আদেশ মান্য করে এবং তাঁর নিষেধসমূহ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহকে ভয় করতে আদেশ করেন। আল্লাহ দিনে রাতে যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন, তা যেন তারা আদায় করে। তাছাড়া তিনি তাদেরকে রমযান মাসের সাওম পালন করতে, যাকাতের হকদারদেরকে সম্পদের যাকাত দিতে এবং এ ব্যাপারে কৃপণতা না করতে আদেশ করেন। আল্লাহ যাদেরকে তাদের কর্তৃত্বের অধিকারী বানিয়েছেন তাদের আনুগত্য করতে তিনি আদেশ করেন। যে ব্যক্তি উপরোক্ত কাজগুলো করবে, তার প্রতিদান হলো জান্নাতে প্রবেশ।
আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন তার ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, তখন সে যেন তাকে সালাম দেয়। অতঃপর দু’জনের মাঝে যদি গাছ, দেয়াল বা পাথর আড়াল হয়ে যায় এবং তারপর আবার সাক্ষাৎ হয়, তাহলেও যেন তাকে সালাম দেয়”।
আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুসলিমকে তার মুসলিম ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করার সময় তাকে সালাম করার আহ্বান জানান, এমনকি তারা যদি একসাথে হাঁটেন এবং তাদের মাঝে একটি বাধা হয়, যেমন একটি গাছ অথবা প্রাচীর বা বড় পাথর, তারপর তিনি তার সাথে আবার দেখা করেন, তার উচিত হবে তাকে আবার সালাম করা।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজ বলব না, যার দ্বারা আল্লাহ গোনাহসমূহকে মোচন করবেন এবং (জান্নাতে) তার দ্বারা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন?” তাঁরা বললেন, ‘অবশ্যই, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “(তা হচ্ছে) কষ্টকর অবস্থায় পরিপূর্ণরূপে অযূ করা, অধিক মাত্রায় মসজিদে গমন করা এবং এক ওয়াক্তে সালাত আদায় করে পরবর্তী ওয়াক্তের সালাতের জন্য অপেক্ষা করা। আর এ হল প্রতিরক্ষা বাহিনীর মত কাজ। এটিই হল প্রতিরক্ষা।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তারা কি চান যে, তিনি তাদেরকে এমন কর্মের দিকে নির্দেশনা প্রদান করবেন যা গুনাহ মাফ, সংরক্ষণকারী ফেরেশতাদের রেকোর্ড বই থেকে সেগুলো মুছে ফেলা এবং জান্নাতে উচ্চ মর্যাদার কারণ হবে? সাহাবীরা জবাব দিলেন: জ্বী, আমরা এটি চাই। তিনি বললেন: প্রথমত: কষ্ট হওয়া সত্তেও ভালোভাবে পূর্ণতা সহকারে অযু করা যেমন: শীতের সময়ে, পানি অল্প থাকার সময়ে, শরীরে ব্যাথা অথবা পানি গরম হওয়ার কারণে। দ্বিতীয়ত: বাড়ী থেকে মসজিদ দূরে থাকার কারণে অথবা বারবার যাওয়ার কারণে বেশী বেশী পা ফেলা - তথা দুই পায়ের মাঝখানে দূরত্ব কম হওয়া-। তৃতীয়ত: সালাতের ওয়াক্তের জন্য অপেক্ষা করা, সালাতের জন্য অন্তরকে ব্যাকুল রাখা, এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া এবং জামাতের জন্য মসজিদে বসে অপেক্ষা করা, যখন সে তার সালাত শেষ করবে, তখন অন্য সালাতের জন্য অপেক্ষা করবে। তারপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করলেন যে, এই বিষয়গুলিই দীন রক্ষাকারী প্রকৃত বিষয়; কারণ এটি আত্মার উপর শয়তানের পথ রুদ্ধ করে, স্বীয় মন্দ আকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করে এবং ওয়াসওয়াসা প্রবেশে বাধা দেয়, এভাবে করেই আল্লাহর দল শয়তানের দলকে পরাজিত করবে; আর এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ, এবং এটিই হচ্ছে শত্রুর সম্মুখে একটি দৃঢ় রক্ষাকারী বন্ধনের মত।
আবুদ দারদা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি কি তোমাদেরকে তোমাদের উত্তম আমলসমূহের সন্ধান দেব না? যা তোমাদের মালিকের কাছে সবচেয়ে পবিত্র, তোমাদের সবচেয়ে মর্যাদা বৃদ্ধিকারী, সোনা ও রুপা দান করার চেয়ে উত্তম এবং শত্রুর সম্মুখীন হয়ে তাদের গর্দান কাটা ও তোমাদের গর্দান কাটানোর চেয়ে শ্রেয়।” তারা সকলে বললেন: “অবশ্যই”, তিনি বললেন: “আল্লাহ তা’আলার যিকির।”
এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন: তোমরা কি চাও যে আমি তোমাদেরকে তোমাদের মালিক আল্লাহ তা‘আলার নিকটে তোমাদের সবচেয়ে উত্তম, সবচেয়ে সম্মানিত, সবচেয়ে উন্নত, সবচেয়ে বিশুদ্ধ এবং সবচেয়ে পবিত্র কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দেব? আর জান্নাতে তোমাদের অবস্থানের দিক থেকে সর্বোচ্চ স্থান (দানকারী) সম্পর্কে? এবং যেটি সোনা ও রোপা দান করার থেকেও উত্তম? আর তোমরা শত্রুদের সাথে লড়াই এর জন্য মিলিত হয়ে তাদেরকে হত্যা করা এবং নিজেরা নিহত হওয়ার থেকেও উত্তম বিষয় সম্পর্কে? সাহাবারা বললেন: হ্যাঁ, আমরা সেটা চাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: প্রতিটি সময়, অবস্থান ও পরিস্থিতিতে আল্লাহ তা‘আলার যিকির করা।
সুলাইমান ইবন সুরাদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে বসা ছিলাম। তখন দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “আমি এমন একটি বাক্য জানি, যদি এ লোকটি তা পড়ে তবে তার রাগ দূর হয়ে যাবে। সে যদি পড়ে আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তান’’-আমি শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে” তখন তারা তাকে বলল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তুমি আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাও”। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি?
সহীহ বুখারী ও মুসলিমদু'জন লোক নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে একে অপরকে অভিশাপ ও গাল-মন্দ করছিল, ইতোমধ্যে তাদের একজনের মুখ রাগে-ক্ষোভে লাল হয়ে গেল এবং তার গলার শিরাগুলো ফুলে গেল। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এমন একটি বাক্য জানি যদি তা এই রাগান্বিত ব্যক্তি বলে তার গোস্বা অবশ্যই চলে যাবে, যদি সে বলে: أعوذ بالله من الشيطان الرجيم (আমি বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই)। তারা তাকে বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন: তুমি শয়তান থেকে পানাহ চাও। তখন সে বলল, আমি কী পাগল?! সে ধারনা করেছিল যে, পাগল ছাড়া কেউ শয়তান থেকে পানাহ চায় না।