





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আবূ সা’ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, “যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহর শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না”।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, ঘুমের ভেতর আনন্দদায়ক ভালো স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে হয় এবং তিনি উপদেশ দিয়েছেন যে, তার ওপর আল্লাহর প্রশংসা করা এবং তার সংবাদ দেওয়া। আর যখন এমন কিছু দেখবে যা সে অপছন্দ করে এবং যা তার দুঃখজনক; সেটি শয়তানের তরফ থেকে হয়। কাজেই তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবে এবং সেটি কারো নিকট বয়ান করবে না; তাহলে সেটি তাকে ক্ষতি করবে না, কারণ স্বপ্নের সাথে যুক্ত ক্ষতি থেকে নিরাপত্তার জন্য উল্লিখিত বিষয়গুলোকে আল্লাহ উপায় হিসাবে স্থির করেছেন।
সুহাইব রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ، وَلَيْسَ ذَاكَ لِأَحَدٍ إِلَّا لِلْمُؤْمِنِ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ شَكَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ صَبَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ : “মুমিনের ব্যাপার আশ্চর্যজনক। অবশ্যই তার সকল বিষয় তার জন্য কল্যাণময়। আর এটি মুমিন ছাড়া অন্য কারো জন্য হতে পারে না। যদি তার কোন আনন্দ আসে, তবে সে শুকরিয়া আদায় করে, যা তার জন্য কল্যাণময়। আর যদি তার উপরে কোন দুঃখজনক কিছু আপতিত হয়, তাহলে সে সবর করে, সেটাও তার জন্য কল্যাণকর হয়।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিনের কাজ ও অবস্থার ব্যাপারে আশ্চর্যান্বিত হয়েছেন। এর কারণ হচ্ছে মুমিনের প্রতিটি অবস্থাই ভালো, আর এটা মুমিন ছাড়া অন্য কারো জন্য সম্ভব নয়। যদি তার কাছে কোন আনন্দঘন মুহূর্ত আসে, সে তথন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে, আর এতে করে সে তার শুকরিয়ার জন্য পুরষ্কার পায়। আর যদি তার উপরে কোন দুঃখ আপতিত হয়, তবুও সে সবর করে এবং আল্লাহর কাছে এর পুরষ্কার আশা করে, এতে করেও সে সবরের কারণে পুরষ্কার পায়। সুতরাং অবস্থা যাই হোক না কেন, সে পুরষ্কার পেয়ে থাকে।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর হাত অথবা কাপড় মুখের উপরে রাখতেন এবং তিনি তাঁর আওয়াজকে নিচু অথবা নমনীয় করতেন।
এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন: প্রথমত: তাঁর হাত অথবা কাপড় মুখের উপরে দিতেন; যাতে তার মুখ অথবা নাক থেকে এমন কোন কিছু বের না হয়, যা পাশে থাকা ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়। দ্বিতীয়ত: তিনি তাঁর আওয়াজকে উঁচু না করে নিচু করতেন।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “আমি কি তোমাদের এমন বিষয় অবহিত করবো না, যা আমার মতে তোমাদের জন্য মসীহ দাজ্জালের চেয়েও ভয়ংকর? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বলেন, গোপন শির্ক। মানুষ সালাত পড়তে দাঁড়ায় এবং লোকের দৃষ্টির কারণে সুন্দরভাবে সালাত আদায় করে।”
এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন।সাহাবীগণ দাজ্জালের ফিতনার আলোচনা করত এবং তাকে খুব ভয় করত। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জানিয়ে দেন যে, এখানে এমন একটি বিপদজনক বিষয় রয়েছে যাকে তিনি দাজ্জালের ফিতনার চেয়ে অধিক ভয় করেন। আর তা নিয়ত ও ইচ্ছার মধ্যে শির্ক যা একজন মানুষের নিকট স্পষ্ট নয়। তারপর তিনি তার ব্যাখ্যা করেন যে আমল দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা হয় সে আমলকে লোক দেখানোর জন্য সুন্দর করাই শির্ক।
উসামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাকে বলা হল, আপনি উসমান রা. এর নিকট গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করবেন না? উত্তরে তিনি বললেন, আপনারা কি মনে করছেন যে আমি তাঁর সঙ্গে আপনাদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে কথা বলব? অথচ আমি আল্লাহর কসম তাঁর সঙ্গে (দাঙ্গা দমনের ব্যাপারে) গোপনে আলোচনা করছি, যেন আমার দ্বারা ফিতনার দরজা খুলে না যায়। আমি দ্বার উন্মুক্তকারীর প্রথম ব্যক্তি হতে চাই না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ হাদীস শোনার পর যাকে আমার ওপর আমীর করা হয়েছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে এ কথা বলবো না যে তিনি আমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি। “কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আনা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তখন তার পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাবে। এ সময় সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা চাকির চারপাশে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে বলবে, হে অমুক ব্যক্তি! তোমার এ অবস্থা কেন? তুমি না আমাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করতে আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতে? সে বলবে, আমি তোমাদেরকে সৎ কাজে আদেশ করতাম বটে, কিন্তু আমি তা করতাম না আর আমি তোমাদেরকে অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতাম, অথচ আমিই তা করতাম”।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমওসামা ইবন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হল: আপনি কি উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যাবেন না এবং তার সাথে মানুষের মধ্যে যে কলহ সৃষ্টি হয়েছে সে সম্পর্কে কথা বলবেন না এবং তা নিভানোর চেষ্টা করবেন না? তাই তিনি তাদের জানালেন যে তিনি জনস্বার্থে তার সাথে গোপনে কথা বলেছেন যেন বিবাদ তুঙ্গে না ওঠে। তার উদ্দেশ্য ছিল যে তিনি প্রকাশ্যে আমীরদেরকে নিষেধ করতে চান না, ফলে এটি খলিফার উপর বাড়াবাড়ি হবে। এটা ফিতনা ও মন্দের দরজা যাকে আমি প্রথম উন্মুক্তকারী হতে চাই না। অতঃপর ওসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বললেনঃ তিনি আমীরদের গোপনে উপদেশ দেন এবং কাউকে তোষামোদ করেন না, যদিও তিনি একজন আমীর হন। তিনি তাদের মুখে মিথ্যা প্রশংসা করে তাদের তোষামোদ করেন না। কারণ, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে নিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং তার নাড়িভুঁড়িগুলো তার পেট থেকে গরমের তীব্রতা ও আযাবের তীব্রতার কারণে দ্রুত বের হয়ে আসবে। সে আগুনের মধ্যে এই অবস্থায় তার নাড়িভুঁড়িগুলো নিয়ে ঘুরতে থাকবে, যেমন একটি গাধা তার চাকতি চারপাশে ঘুরে , যা হলো গম ভাঙ্গানোর চাকতি। ফলে জাহান্নামীরা তাকে ঘিরে একটি বৃত্তের আকারে তার চারপাশে জড়ো হবে এবং তারা তাকে জিজ্ঞাসা করবে: হে অমুক, তুমি কি সৎকাজের আদেশ করনি এবং অন্যায় থেকে নিষেধ করনি? তখন তিনি বলবেনঃ আমি সৎকাজের নির্দেশ দিতাম, তবে তা করতাম না এবং অসৎকাজে নিষেধ করতাম এবং তা করতাম।
আনাস ইবনু মালিক রদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি দু’টি কন্যার লালন-পালন তাদের সাবালিকা হওয়া অবধি করবে, কিয়ামতের দিন আমি এবং সে এক সাথে আসব” আর তিনি তার হাতের আঙ্গুলসমূহ মিলালেন।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যার দু’টি মেয়ে অথবা দু’টি বোন রয়েছে এবং সে তাদের ভরণ-পোষণ দেয়, তাদের প্রতিপালন করে, ভালো কাজের নির্দেশ দেয় ও মন্দের বিরুদ্ধে সতর্ক করে ইত্যাদি যতক্ষণ না তারা বড় ও সাবালক হয়, কিয়ামতের দিন তিনি এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’টির মত আসবেন এবং তিনি তার তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলি সংযুক্ত করলেন।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: لَا تَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا، وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا، أَوَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى شَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ؟ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ “তোমরা ঈমান না আনা পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর তোমাদের ঈমান পরিপূর্ণ হবে না যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদেরকে এমন কোন জিনিস বলে দিব না, যার মাধ্যমে তোমরা পরস্পরকে ভালোবাসবে? (তা হলো) তোমরা পরস্পরের মাঝে সালামের ব্যাপক প্রসার করো।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, মুমিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর মুমিনগণ একে অপরকে ভালো না বাসলে ঈমান পরিপূর্ণ হবে না এবং মুসলিম সমাজ সংশোধন হবে না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বোত্তম পথ দেখিয়ে দিয়েছেন, যে কাজ করলে মুমিনদের মধ্যে পরস্পরে ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। আর তা হলো মুসলিমদের মধ্যে পরস্পরে সালামের ব্যাপক প্রসার করা, যাকে আল্লাহ বান্দাহদের জন্যে অভিবাদন বানিয়েছেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ?” বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, “এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দেহের পতনের মতো একটি বিরক্তিকর শব্দ শুনতে পেলেন, তাই তিনি তাঁর কাছে থাকা সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের এই শব্দ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে তারা বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভাল জানেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেনঃ তোমরা যে আওয়াজটি শুনেছ তা একটি পাথরের যা সত্তর বছর পূর্বে জাহান্নামের প্রান্ত থেকে নিক্ষিপ্ত হয়েছিল, সেটি তাতে নিচে যাচ্ছে ও পতিত হচ্ছে; এই এখন যখন তোমরা শব্দটি শুনেছ সেটি তার নিচে গিয়ে পৌঁছেছে।
সালামা ইবনুল আকওয়া‘ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: أَنَّ رَجُلًا أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشِمَالِهِ، فَقَالَ: «كُلْ بِيَمِينِكَ»، قَالَ: لَا أَسْتَطِيعُ، قَالَ: «لَا اسْتَطَعْتَ»، مَا مَنَعَهُ إِلَّا الْكِبْرُ، قَالَ: فَمَا رَفَعَهَا إِلَى فِيهِ. এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে বাম হাতে আহার করছিল। তিনি বললেন: “তুমি তোমার ডান হাতে আহার করো।” সে বললো, আমি পারবো না । তিনি বললেন: “তুমি যেন না-ই পারো।” একমাত্র অহংকারই তাকে বাধা দিচ্ছে। সালামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, সে আর তার ডান হাত মুখের কাছে তুলতে পারেনি।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেনরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বাম হাতে আহার করতে দেখলেন। তিনি তাকে ডান হাতে আহার করতে নির্দেশ দিলেন। কিন্তু লোকটি অহংকার ও অস্বীকার করে উত্তর দিল যে, সে ডান হাতে আহার করতে পারে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্যে বদ-দো‘আ করলেন যে, সে যেন ডান হাতে খেতে না পারে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীর দো‘আ কবুল করলেন। তার ডান হাত অবশ হয়ে যায়। এর পর থেকে সে আর ডান হাত দিয়ে খাবার ও পানীয় মুখে তুলতে পারতো না।