





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইয়ামানের লোকেরা আসে, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কাছে ইয়ামানের লোকেরা এসেছে। আর তারা তোমাদের জন্য সর্বপ্রথম মুসাফাহার নিয়ম-পদ্ধতি নিয়ে এসেছে।
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, (قد جاءكم أهل اليمن) “তোমাদের কাছে ইয়ামানের লোকেরা এসেছে।” একথা বলে তাদেরকে সম্মান প্রদর্শন ও মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছিল আবূ মূসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সম্প্রদায় আশ‘আরী গোত্রের লোকেরা। মুসনাদে আহমাদে (৩/১৫৫) আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস একথার প্রমাণ। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আগামীকাল তোমাদের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের লোকেরা আগমন করবে যাদের অন্তর ইসলামের প্রতি অতি কোমল। বর্ণনাকারী বলেন, পরের দিন আশ‘আরী গোত্রের লোকেরা আগমন করল। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আবূ মূসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু। তারা যখন মদীনার নিকটবর্তী হলেন তখন তারা ছন্দময় কবিতা বলতে লাগলেন, “আগামী কাল আমরা আমাদের প্রিয়জনদের সাথে মিলিত হবো, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর গোষ্ঠীর সাথে”। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগমন করে পরস্পর মুসাফাহা করলেন। আর এভাবেই তারাই সর্বপ্রথম মুসাফাহার প্রচলন করেন।
আনাস ইবনে সীরীন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি অগ্নিপূজক সম্প্রদায়ের কিছু লোকের কাছে আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় রূপার পাত্রে ‘ফালূযাজ’ (নামক এক প্রকার মিষ্টান্ন) আনা হল। তিনি (আনাস ইবনে মালেক) তা খেলেন না। তাদেরকে বলা হল যে, ওটার পাত্র পাল্টে দাও। সুতরাং তা পাল্টে কাঠের পাত্রে রাখা হল এবং তা তাঁর নিকট হাজির করা হল। তখন তিনি তা খেলেন।”
এটি বাইহাকী বর্ণনা করেছেন।আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-মজুসী সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট ছিলেন। এমন সময় রূপার পাত্রে ‘ফালূযাজ’ নামক এক প্রকার মিষ্টান্ন তার জন্য আনা হল। তিনি (আনাস ইবনে মালেক) তা খেলেন না। সুতরাং তা পাল্টে কাঠের পাত্রে নিয়ে আসা হলো। তখন তিনি তা খেলেন।”
সায়েব ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “যখন নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবূক অভিযান হতে ফিরে এলেন, তখন তাঁকে মানুষেরা অভ্যর্থনা জানিয়ে আনতে গেল, আমি গেলাম বাচ্চাদের সাথে সানিয়াতুল ওদা‘’ নামক স্থানে। আর ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন, “আমরা ছোট শিশুদের সাথে (মদীনার উপকণ্ঠে অবস্থিত) ‘সানিয়াতুল ওদা‘’ নামক স্থানে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলাম।”
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।সায়েব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাহাবীদের সাথে নিয়ে তাবুকের যুদ্ধ থেকে ফিরে মদীনায় আগমন করেন, তখন তারা মদিনার সন্নিকটে ‘সানিয়্যাতুল ওদা‘‘ নামক স্থানে তাকে সম্ভাষণ জানানোর জন্য বের হন। এটা ছিল তাদের প্রতি ভালোবাসা ও তাদের অন্তর জয় করা এবং যারা যুদ্ধে যায় না তাদের প্রতি উৎসাহ প্রদান।
জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতাকে (উহুদ যুদ্ধের দিন) তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছেদন হেতু বিকৃত অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসা হলো এবং তাঁর সামনে রাখা হলো। আমি পিতার চেহারা খুলতে গেলাম; কিন্তু আমাকে আমার আপনজনরা নিষেধ করল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাকে ফিরিশতাগণ নিজেদের ডানা দিয়ে সর্বদা ছায়া প্রদান করছিল।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।ওহুদ যুদ্ধের দিন জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর পিতা আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর ইবন হারাম আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসা হলো। সেদিন নিহত মুসলিমদের দেহকে কাফিররা ক্ষত-বিক্ষত করার মাধ্যমে বিকৃত করে ফেলেছিল। রাসূলের সামনে তার পিতাকে রাখা হলো। তখন জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কাফিররা যে তার হাত-পা কেটে দিয়েছে সে জন্য শোকাহত অবস্থায় তার চেহারা খুলে দেখতে চাইল। তখন তার গোত্রের লোকেরা তাকে নিষেধ করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাকে ফিরিশতাগণ ইয্যত ও সম্মান করে নিজেদের ডানা দিয়ে সর্বদা ছায়া প্রদান করছিল।”
মারুর ইবন সুওয়াইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখেছি, তার গায়ে একটি জামা এবং তার অনুরূপ জামা তার গোলামের গায়ে। আমি তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তখন বললেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এক ব্যক্তিকে তার মায়ের কথা উল্লেখ করে তিরস্কার করেছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তুমি এমন ব্যক্তি যে, তোমার ভেতর জাহেলিয়াত রয়েছে। তারা তোমাদের ভাই ও অনুসারী, আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীন করেছেন। অতএব, যার অধীনে তার ভাই থাকবে, সে তাকে তাই খাওয়াবে যা সে খায় এবং সে তাকে তাই পরাবে যা সে পরিধান করে। আর তাকে কাবু করে ফেলে এমন দায়িত্ব দিবে না, যদি তোমরা তাকে এরূপ দায়িত্ব দাও, তাকে সাহায্য কর।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।এ হাদীসে গোলামদের সাথে পোশাক ও খাবারের ক্ষেত্রে ভালো আচরণ করতে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং তারা তাদেরকে তাদের সাধ্যাতীত দায়িত্ব দিবে না, যদি দেয় তাহলে তাদেরকে সাহায্য করবে। যে তাদেরকে তিরস্কার ও হেয় করবে, হাদীসে তার প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়েছে। কারণ, তারা আমাদের দীনি ভাই।
আবূ যায়েদ ‘আমর ইবন আখত্বাব আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত পড়লেন, অতঃপর মিম্বরে চড়ে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত যোহরের সময় হয়ে গেল। সুতরাং তিনি নিচে নামলেন ও সালাত পড়লেন। তারপর আবার মিম্বরে চাপলেন (ও ভাষণ দানে প্রবৃত্ত হলেন) শেষ পর্যন্ত আসরের সময় হয়ে গেল। তিনি পুনরায় নীচে অবতরণ করলেন ও সালাত পড়লেন। অতঃপর তিনি আবার মিম্বরে উঠলেন এবং খুতবা পরিবেশনে ব্রতী হলেন, শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্ত গেল। সুতরাং অতীতে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে সে সমস্ত বিষয়গুলি তিনি আমাদেরকে জানালেন। অতএব, আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক বড় জ্ঞানী, যিনি এ সব কথাগুলো সবার চাইতে বেশি মনে রেখেছেন।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।সাহাবী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সংবাদ দেন যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত পড়লেন, অতঃপর মিম্বরে চড়ে তিনি মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত যোহরের সময় হয়ে গেল। সুতরাং তিনি নিচে নামলেন ও যোহরের সালাত পড়লেন। তারপর আবার মিম্বরে চড়লেন ও ভাষণ দানে প্রবৃত্ত হলেন। শেষ পর্যন্ত আসরের সময় হয়ে গেল। তিনি পুনরায় নীচে অবতরণ করলেন ও আসরের সালাত পড়লেন। অতঃপর তিনি আবার মিম্বরে উঠলেন এবং মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। শেষ পর্যন্ত সূর্য অস্ত গেল। অর্থাৎ ফজরের সালাত থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত পুরো দিন তিনি খুতবা প্রদান করলেন। ঐ দিন আল্লাহ তা‘আলা তাকে অতীতের কিছু গাইবী বিষয় ও ভবিষ্যতের কিছু গাইবী জানিয়ে দেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সাহাবীদের জানিয়ে দেন। সুতরাং তাদের ভেতর সর্বাধিক জ্ঞানী ঐ ব্যক্তি, যে সেদিনের কথাগুলো সংরক্ষণ করেছে এবং মনের মধ্যে গেঁথেছে।
যায়েদ ইবন খালিদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না। কারণ, সে সালাতের জন্যে জাগ্রত করে।”
এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।যায়েদ ইবন খালিদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু সংবাদ দিচ্ছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোরগকে গালি দিতে নিষেধ করেছেন, আর তার কারণ বর্ণনা করেছেন -মোরগ তার চিৎকার দ্বারা ঘুমন্তকে সালাতের জন্যে জাগ্রত করে। ইমাম আহমদ ও নাসায়ীর অপর বর্ণনায় এসেছে, “সালাতের জন্যে আযান দেয়।” এজন্যেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে গালি দিতে নিষেধ করেছেন। কারণ, তার জাগ্রত করার ভেতর প্রকাশ্য সুফল রয়েছে। সেটা হচ্ছে ইবাদতে মানুষকে সাহায্য করা। আর যে ভালো কাজে সাহায্য করে সে প্রশংসার দাবিদার, নিন্দাবাদের নয়। মোরগের একটি আশ্চর্য বিষয় হলো সে রাতের সময়কে চেনে এবং সে ঐ সময় চিৎকার করে। তার চিৎকার ফজরের পূর্ব থেকে তারপরও বিদ্যমান থাকে। মোরগকে যিনি এটা শিক্ষা দিয়েছেন তার জন্যই পবিত্রতা।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: “জিবরীল রেশমের সবুজ একটি কাপড়ের টুকরায় আয়েশার ছবি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন, এ তোমার দুনিয়া ও আখিরাতে স্ত্রী”।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।জিবরীল আলাইহিস সালাম ঘুমের মধ্যে রাসূলুল্লাহর নিকট সবুজ একটি রেশমি কাপড়ের টুকরায় আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে নিয়ে আসেন। এখানে উদ্দেশ্য ঘুমের মধ্যে নিয়ে আসা বাস্তবে নয়। তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন, এ মহিলা যিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমার স্ত্রী।
আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সন্তানদের প্রতি রাসূলের চেয়ে অধিক দয়ালু আর কাউকে আমি দেখিনি”। তিনি বলেন, “মদীনার নিকটস্থ গ্রামে ইব্রাহীমের একজন দুধপানকারিনী ছিল। তাই তিনি সেখানে যেতেন। আমরাও তার সাথে থাকতাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন তখন ঘরটি ধোঁয়ায় ভরা থাকত। কারণ তার স্বামী ছিল কামার। তিনি তাকে কোলে তুলে নিতেন এবং চুমু দিতেন তারপর ফিরে আসতেন। আমর বলেন, ইব্রাহীম মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে”।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু জানান যে, তিনি বলেন, পরিবার ও ছোট সন্তানদের প্রতি রাসূলের চেয়ে অধিক দয়ালু আর কাউকে দেখেননি। মদীনার নিকটস্থ একটি গ্রামে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে ছেলে ইব্রাহীমকে একজন দুধপানকারিনী দুধ পান করাতো। তাই রাসূলু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাথে কতক সাহাবী তাকে দেখতে যেত। তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন তখন দেখতেন ঘর ধোয়া ছড়াচ্ছে। এর কারণ হলো, দুধপানকারিনীর স্বামী ছিল কামার। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইব্রাহীমকে কোলে তুলে নিতেন এবং চুমু দিতেন তারপর ফিরে আসতেন। ইব্রাহীম মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা জান্নাতে তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে। অর্থাৎ দুই বছর। কারণ, ইব্রবাহী যখন মারা যায় তখন তার বয়স ছিল ষোল বা সতেরো মাস। তাই অবশিষ্ট সময় গুলো তারা তাকে দুধ পান করাবেন। কারণ, দুই বছর হওয়া কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। এটি তার ও তার পিতা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মান।