





























Hadeeth Cards
Da'wa cards that highlight great meanings from the noble prophetic hadiths in a simple style and attractive display that helps the Muslim to have a deeper understanding of his religion in an easy way
All
সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জান্নাতীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে তখন আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে বলবেন, তোমরা কি চাও, আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেই? তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারাগুলো আলোকজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে নাযাত দেননি? তিনি বলেন, এরপর আল্লাহ তা’আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দর্শন লাভের চেয়ে অধিক পছন্দনীয় জিনিস আর কিছুই তাদের দেয়া হয়নি”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, জান্নাতীরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বলবেন: তোমরা কিছু তলব কর কী যা আমি তোমাদের বাড়িয়ে দিব? তখন সকল জান্নাতী বলবেন: আপনি আমাদের চেরাহা সাদা এবং আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেননি কী? তখন আল্লাহ পর্দা দূর করবেন ও সরিয়ে নিবেন; তার পর্দা হল নুর, তাদেরকে তাদের রবের দিকে তাকানোর চেয়ে প্রিয় কিছু দেওয়া হয়নি।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “অবশ্যই জান্নাতীগণ তাদের উপরের প্রাসাদের অধিবাসীদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জল স্থির তারকা দেখতে পাও। এটি হবে তাদের মর্যাদার ব্যবধানের জন্য।” (সাহাবীগণ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলো নবীগণের স্থান; তাঁরা ছাড়া অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না?’ তিনি বললেন, “অবশ্যই, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! (সেখানে পৌঁছতে পারবে) তারা এমন কিছু লোক যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে ও রাসূলগণকে সত্য বলেছে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।জান্নাতীদের মর্যাদার ভিত্তিতে তাদের স্তরসমূহে তারতম্য হবে। এমনকি উচ্চ মর্যাদার অধিকারীদের তাদের নিচের স্তরের লোকেরা নক্ষত্রের মতো দেখতে পাবে।
মু‘আওয়িয়াহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যদি তুমি মুসলিমদের গুপ্ত দোষগুলো খুঁজে বেড়াও, তাহলে তুমি তাদেরকে নষ্ট করে দিবে অথবা তাদেরকে নষ্ট করার উপক্রম করবে।”
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।যদি তুমি মুসলিম ভাইদের বিবিধ অবস্থার গোয়েন্দাগিরি করে তাদের দোষগুলো বের কর, তাদের অপরাধগুলোর অনুসন্ধান চালাও এবং তাদের দোষ-ত্রুটিগুলোর ছিদ্রান্বেষণ কর, যা তারা লুকাতো, অথচ তুমি সেগুলো প্রকাশ করে দাও, তাহলে তুমি তাদেরকে অপমানিত করলে এবং তাদের গোপনীয় বিষয়গুলো খুলে দিলে, যার ফলে তাদের লজ্জা কমে যাবে এবং এ ধরনের অপরাধ তারা প্রকাশ্যে করার সাহস করবে, অথচ পূর্বে তারা গোপনে তা করছিল, তখন তাদের এ অপরাধ আল্লাহ ছাড়া কেউ জানতো না।
আবূ খিরাশ হাদরাদ ইবন আবূ হাদরাদ আসলামী থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি তার কোনো (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে বছরব্যাপী বাক্যালাপ বন্ধ করবে, তা হবে তার রক্তপাত ঘটানোর মতো।”
এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।কোনো শর‘ঈ উদ্দেশ্য ছাড়া যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাথে কথা বলা ছেড়ে দেয় এবং এ অবস্থায় এক বছর অতিবাহিত হয়, তার ওপর শাস্তি অবধারিত। যেমননিভাবে তার রক্ত প্রবাহিত করা শাস্তিকে অবধারিত করে। আর বিচারক তাকে ফিরানোর জন্য এবং অন্যদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য যে শাস্তি প্রয়োগ করা তার জন্য উপযুক্ত মনে করবে তাই তার শাস্তি। আর যদি তাকে ছেড়ে দেওয়া শর‘ঈ কোনো উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে যেমন বিদ‘আতী ও ফাসিকদের সাথে কথা না বলা। তখন উচিৎ হলো যতদিন পর্যন্ত তাদের থেকে কোনো তাওবাহ অথবা হকের দিকে ফিরে আসা না প্রকাশ পায় ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথা না বলার ওপর স্থায়ী থাকা।
জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আরব ভূখণ্ডে মুসল্লীগণ শাইতানের (শয়তানের) উপাসনা করবে, এ বিষয়ে শাইতান (শয়তান) নিরাশ হয়ে পড়েছে। তবে তাদের একজনকে অন্যের বিরুদ্ধে উসকিয়ে দেয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়নি”।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, মুমিন মুসল্লিগণ জাযিরাতুল আরবে শয়তানের ইবাদত করবে এবং মূর্তিকে সাজদা করবে এই বিষয়ে সে নিরাশ হয়ে গেছে; তবে ঝগড়া, বিদ্বেষ, যুদ্ধ, ফিতনা প্রভৃতির মাধ্যমে তাদের মাঝে বিদ্বেষ উসকিয়ে দিতে সর্বদা তার প্রচেষ্টা, কর্ম, পরিশ্রম ও কষ্ট অব্যাহত রাখবে এবং লোলুপ থাকবে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহ থেকে মারফু‘ সূত্রে বর্ণিত, “আল্লাহ আদম সন্তানের যিনার যে অংশ নির্ধারিত করেছেন, তা সে অবশ্যই করবে। আর দু’চোখের যিনা হলো দৃষ্টিপাত করা, কানের যিনা শ্রবণ করা, জিহ্বার যিনা কথোপকথন, হাতের যিনা স্পর্শ করা, পায়ের যিনা হেঁটে যাওয়া, অন্তরের যিনা আকাংখা ও কামনা করা। আর লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়িত করে কিংবা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।হাদীসের অর্থ: আল্লাহ যাকে হিফাযত করেছেন তিনি ব্যতীত আদম সন্তানের সকলেই যিনার নির্ধারিত অংশ অবশ্যই পাবে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদাহরণ উল্লেখ করেছেন। “দু’চোখের যিনা হলো দৃষ্টিপাত করা” অর্থাৎ পুরুষ যখন পরনারীর প্রতি দৃষ্টিপাত করে; যদিও তা কামভাব ও উত্তেজনা ছাড়া- এটি এক ধরনের যিনা, যা চোখের যিনা হিসেবে গণ্য হয়। “কানের যিনা শ্রবণ করা” অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি পরনারীর কথা শ্রবণ করে তার আওয়াজের দ্বারা মজা উপভোগ করল তাকে সে কানের যিনা করল। এমনিভাবে “হাতের যিনা হচ্ছে ধরা “অর্থাৎ হাতের দ্বারা কোনো কিছু স্পর্শ করা বা ধরা বা অনুরূপ কিছু করা হলো হাতের যিনা। “পায়ের যিনা হেঁটে যাওয়া” অর্থাৎ অশ্লীল কাজে বা পরনারীর আওয়াজ শ্রবণ করতে অথবা পরনারীকে দেখতে পায়ের দ্বারা হেঁটে যাওয়া। সুতরাং তার প্রতিটি পদক্ষেপে যিনা লিপিবদ্ধ করা হবে। “অন্তরের যিনা আকাংখা ও কামনা করা” অর্থাৎ অন্তর এসব কাজের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। আর তা হলো নারীর প্রতি মন লেগে থাকা। এ হলো অন্তরের যিনা। “আর লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়িত করে কিংবা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।” অর্থাৎ ব্যক্তি যখন লজ্জাস্থানের দ্বারা যিনা করে - আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি- তখন তা তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা বাস্তবায়িত হলো। আর যদি সে লজ্জাস্থানের দ্বারা যিনা না করে বরং নিরাপদ থাকল এবং নিজেকে হিফাযত করল তাহলে তা তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা সে যিনাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। সুতরাং এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হলো, নারীর সাথে মনকে সম্পৃক্ত করা থেকে সাবধান হতে হবে। তাদের আওয়াজ, দেখা-সাক্ষাৎ, স্পর্শ করা, তাদের কাছে যাওয়া এবং তাদের প্রতি অন্তর আকৃষ্ট হওয়া ইত্যাদি সব কিছু থেকে উক্ত হাদীস সতর্ক করছে। এ সব কিছুই যিনার অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর কাছে আমরা আশ্রয় প্রার্থনা করছি। সুতরাং সুস্থ পরিচ্ছন্ন বিবেক সম্পন্ন মানুষের উচিত তাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নারীর প্ররোচনা ও তাদের স্পর্শ থেকে দূরে রাখা।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “দুই প্রকার জাহান্নামী লোক আমি (এখন পর্যন্ত) প্রত্যক্ষ করি নি (অর্থাৎ, আমার পরে তাদের আবির্ভাব ঘটবে): (১) এমন এক সম্প্রদায় যাদের কাছে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা জনগণকে প্রহার করবে। (২) এমন এক শ্রেণীর মহিলা, যারা (এমন নগ্ন) পোশাক পরবে যে, (বাস্তবে) উলঙ্গ থাকবে, (পর পুরুষকে) নিজেদের প্রতি আকর্ষণ করবে ও নিজেরাও (পর পুরুষের প্রতি) আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা হবে উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মতো। এ ধরনের মহিলারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং তার সুগন্ধও পাবে না; অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরত্বের পথ থেকে পাওয়া যাবে।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'ধরনের লোক সম্পর্কে সতর্ক করেছেন, যারা জাহান্নামী হবে। তিনি তাদের দেখেননি এবং তাঁর সময়ে তাদের অস্তিত্ব ছিল না; বরং তারা তাঁর পরে আসবে: প্রথম প্রকার: এমন কিছু লোক যারা গরুর লেজের মতো লম্বা চাবুক সাথে রাখবে এবং তারা মানুষদেরকে মারধর করবে। তারা হলো পুলিশ ও যালিম শাসকদের সাহায্যকারী, যারা মানুষদেরকে অন্যায়ভাবে প্রহার করে। দ্বিতীয় প্রকার: এমন কিছু নারী যারা লজ্জা ও পবিত্রতার পোশাক খুলে ফেলেছে, যা নারীদের স্বভাবগতভাবে দেওয়া হয়েছে। তাদের বিবরণ হলো: তারা বাহ্যিকভাবে পোশাক পরিহিত; কিন্তু প্রকৃত অর্থে উলঙ্গ। কারণ তারা এমন পাতলা পোশাক পরিধান করে যা তাদের ত্বক প্রকাশ করে। তারা তাদের শরীরের কিছু অংশ ঢেকে রাখে এবং কিছু অংশ উন্মুক্ত রাখে, যাতে তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন করা যায়। তারা তাদের পোশাক ও চলাফেরার মাধ্যমে পুরুষদের হৃদয়কে আকর্ষণ করে এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে। তারা তাদের কাঁধ দুলিয়ে চলাফেরা করে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্টতা ও বিপথগামীতার দিকে নিয়ে যায়, যাতে তারা নিজেরাও রয়েছে। তাদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো: তাদের মাথাগুলো ঝুঁকে থাকা উটের কুঁজের মতো উঁচু। তারা তাদের মাথার আকার বড় করে এবং মাথার চারপাশে কাপড় বা অন্যান্য জিনিস পেঁচিয়ে রাখে। উটের কুঁজের সাথে তুলনা করা হয়েছে তাদের মাথার চুল ও বিনুনির উচ্চতার কারণে, যা মাথার একপাশে ঝুঁকে থাকে, ঠিক যেমন উটের কুঁজ একপাশে ঝুঁকে থাকে। যে নারীরা এই বৈশিষ্ট্যগুলো ধারণ করে, তাদের জন্য এই কঠোর সতর্কবাণী রয়েছে যে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না এবং তার নিকটেও যেতে পারবে না। জান্নাতের সুগন্ধি অনেক দূর থেকেও পাওয়া যায়।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “এক পুরুষ আরেক পুরুষের সতরের দিকে তাকাবে না এবং এক নারীও আরেক নারীর সতরের দিকে তাকাবে না। কোনো পুরুষ অন্য পুরুষের সাথে এক কাপড়ে শয়ন করবে না এবং কোনো নারীও অন্য নারীর সাথে এক কাপড়ে শয়ন করবে না।”
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেননবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যে, কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষের গোপন অঙ্গ না দেখে এবং কোনো নারী যেন অন্য নারীর গোপন অঙ্গ না দেখে। গোপন অঙ্গ (আওরাত): এটি হলো শরীরের সেই সব অংশ, যা প্রকাশিত হওয়া লজ্জার কারণ হয়। পুরুষের গোপন অঙ্গ হলো নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত অংশ। নারীর ক্ষেত্রে,যার সাথে বিবাহ জায়েয এমন সকল পুরুষ জন্য তার সমস্ত শরীরই গোপন অঙ্গ(আউরত-সতর)। তবে অন্যান্য নারী ও মাহরাম (যার সাথে বিবাহ জায়েয নয়) পুরুষদের জন্য, সে সাধারণত ঘরের কাজ করার সময় যা প্রকাশ করে, তা প্রকাশ করতে পারবে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও নিষেধ করেছেন যে, কোনো পুরুষ যেন একই কাপড়ে বা একই চাদরের নিচে অন্য পুরুষের সাথে একান্তে না থাকে এবং কোনো নারী যেন একই কাপড়ে বা একই চাদরের নিচে অন্য নারীর সাথে একান্তে না থাকে। কারণ এটি তাদেরকে একে অপরের গোপন অঙ্গ স্পর্শ করার দিকে নিয়ে যেতে পারে। গোপন অঙ্গ স্পর্শ করা দেখার মতোই নিষিদ্ধ; বরং এটি আরও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এটি আরও বড় ফিতনার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহ আনহুমা থেকে মরফূ হিসেবে বর্ণিত, “যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না।”
মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।হাদীসের অর্থ হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে আগুন নিভানোর আগে ঘুমাতে নিষেধ করেছেন, যা তারা প্রজ্বলিত করে থাকে। শারহু রিয়াদিস সালেহীন, ইবনে উসাইমীন (৬/৩৯০), শারহু সুনান আবি দাঊদ, আব্বাদ, ইন্টারনেট কপি।